অর্ধতৎসম শব্দ কাকে বলে?
অর্ধতৎসম শব্দ হল সেইসব বাংলা শব্দ, যা সংস্কৃত ভাষা থেকে উদ্ভূত হলেও বাংলা ভাষায় কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত তাদের মূল সংস্কৃত শব্দের সাথে কিছু ধ্বনিগত পার্থক্য রেখে বাংলায় গৃহীত হয়েছে।
অর্ধতৎসম শব্দের উদাহরণ:
- অগ্নি (সংস্কৃত) → আগুন (বাংলা)
- সপ্তাহ (সংস্কৃত) → সপ্তাহ (বাংলা)
- সাগর (সংস্কৃত) → সাগর (বাংলা)
- গুরু (সংস্কৃত) → গুরু (বাংলা)
অর্ধতৎসম শব্দের বিশদ উদাহরণ:
- অগ্নি (Agni) → আগুন (Agun):
- সংস্কৃত শব্দ ‘অগ্নি’ অর্থ আগুন। বাংলায় এই শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে ‘আগুন’ হয়েছে।
- সপ্তাহ (Saptaha) → সপ্তাহ (Saptaha):
- ‘সপ্তাহ’ শব্দটি একই রকম থাকলেও উচ্চারণে সামান্য পার্থক্য আছে।
- সাগর (Sagara) → সাগর (Sagara):
- এই ক্ষেত্রে শব্দটি একদম পরিবর্তিত না হলেও এর ব্যবহার এবং উচ্চারণে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।
- গুরু (Guru) → গুরু (Guru):
- সংস্কৃত ‘গুরু’ শব্দ বাংলায় ‘গুরু’ হিসেবেই ব্যবহৃত হলেও প্রায়ই এর উচ্চারণ এবং প্রয়োগে পরিবর্তন দেখা যায়।
বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণত সংস্কৃত মূলের সাথে কিছুটা মিল থাকে।
- বাংলায় উচ্চারণ বা ব্যবহারে কিছু পরিবর্তন আসে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শব্দের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে।
অর্ধতৎসম শব্দগুলি বাংলার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং বাংলা ভাষার সংস্কৃতির সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করেছে।
আরো পড়ুন
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রবর্তিত বানান-বিধির পরিচয় দাও।
পরিভাষাচর্চার প্রয়োজনীয়তা লেখো।
উদাহরণসহ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রবর্তিত বানান-বিধির উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলি লেখো।
পরিভাষা লেখোঃ (যে-কোনো ছ’টি)
বাংলা উচ্চারণ-বিধির সমস্যা সংক্ষেপে আলোচনা করো।
বাংলা শব্দভাণ্ডার বিষয়ে আলোচনা করো।বাংলা শব্দভাণ্ডারের বৈশিষ্ট্য
বিসর্গ (ঃ) চিহ্নের ব্যবহার দেখিয়ে তিনটি শব্দ লেখো।
পরিভাষা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
হাইফেন চিহ্ন, সেমিকোলন এবং ড্যাস চিহ্নের ব্যবহার দেখিয়ে একটি করে বাক্যে এগুলির প্রয়োগ দেখাও।
অর্ধতৎসম শব্দ কাকে বলে? উদাহরণ দাও। অর্ধতৎসম শব্দের বৈশিষ্ট্য
বাংলা বাক্যে কমা (,) কখন ব্যবহৃত হয় তা উদাহরণ সহযোগে দেখাও।
গত্ব-বিধান কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
‘কি’ এবং ‘কী’ কখন ব্যবহার হয় তা উদাহরণসহ লেখো।
বাংলা শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত চারটি আগন্তুক শব্দের উদাহরণ দাও।
উদাহরণসহ সাধু ও চলিত গদ্যরীতির পার্থক্য আলোচনা করো।