পালযুগে শুধুমাত্র আভিজাত পরিবারের মেয়েদের মধ্যে লেখাপড়ার প্রচলন ছিল বলে মনে হয়। ‘পবনদূত’ কাব্যে নারীদের প্রেমপত্র রচনার ইঙ্গিত আছে। তাঁরা নৃত্য, গীতসহ নানা কলাবিদ্যায় নিপুণ ছিলেন। চর্যাগীতিতে রমণীদের নৃত্য-গীতে নৈপুণ্যের উল্লেখ আছে। তাঁরা বিনা সহযোগে গ্রাম-গ্রামান্তরে গান গেয়ে বেড়াতেন। কখনো- কখনো পত্নী স্বামীর চিন্তায় সহরমণে যেতেন। বিধবা জীবন নারীজীবনের চরম অভিশাপ ছিল। স্বামীর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর আমোদ-প্রমোদ, সাজসজ্জা, সুখসম্ভোগ সব ঘুচে যেত। বিবাহাদি শুভ অনুষ্ঠানে বিধবা নারীর উপস্থিতি কাম্য ছিল না। পালযুগে নারীদের অবস্থা বিশেষ ভালো ছিল না।