“বন্দির বন্দনা” বুদ্ধদেব বসুর একটি কবিতা, যা তার বৃহত্তর কাব্যগ্রন্থ “প্রবৃত্তির অবিচ্ছেদ্য কারাগাড়ে” থেকে উদ্ধৃত। এই কবিতায় কবি একজন বন্দীর প্রতি আপনার ভাবনা, কবির দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমর্থন অভিধান প্রদান করেছেন।
মানবিকতা এবং সমর্থন:
কবি তার কবিতায় মানবিকতা এবং সমর্থনের মৌল্যবাদ জানাচ্ছেন। এই মৌল্যবাদের আলোকে তিনি বন্দীর প্রতি সমর্থন ও অনুমোদন প্রকাশ করছেন।
দুঃখ এবং দুঃখিতের সাথে সমর্থন:
কবি দুঃখ এবং দুঃখিতের সাথে সমর্থনের মৌল্যবাদ অনুষ্ঠান করছেন। তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং সাহানুভূতির মাধ্যমে সহানুভূতি এবং সহানুভূতিশীল একটি সমাজ সৃষ্টি করতে চেষ্টা করা হয়েছে।
আত্ম-মুক্তি এবং মানবতা:
কবি তার কবিতায় আত্ম-মুক্তি এবং মানবতার মৌল্যবাদ জানাচ্ছেন। তিনি বন্দীর সাথে মিলিত হয়ে মানবতা এবং মৌল্যবাদের দিকে একটি আহ্বান দিচ্ছেন।
কারাগাড়ের সাথে সম্পর্ক:
“বন্দির বন্দনা” কবিতায় কবি কারাগাড়ের সাথে একটি আত্মসমর্থন এবং সহানুভূতির অনুভূতি করছেন। তিনি বন্দীকে সহানুভূতি এবং সমর্থন প্রদান করে এবং তার দুঃখের মাধ্যমে তার ভাবনার বিস্তারিত জানাচ্ছেন।
‘বন্দীর বন্দনা’ কবিতার সারমর্ম:
“বন্দির বন্দনা” কবিতায় বুদ্ধদেব বসু কারাগাড়ে বিচার করতে, সহানুভূতি এবং সমর্থনের মৌল্যবাদ উপস্থাপন করতে এবং তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভাবনা মাধ্যমে তার প্রশংসা জানাচ্ছেন। তিনি মানবতা এবং মৌল্যবাদের মাধ্যমে একটি উদাহরণ স্থাপন করতে চান, যেখানে সহিষ্ণুতা, সহানুভূতি, এবং সহবাসের মূল্যবাদ অনুসরণ হবে।