চর্যাপদের আবিষ্কার, প্রকাশকাল ও প্রকাশনা সংস্থার নাম উল্লেখ চর্যাপদের কাব্যমূল্য বিচার করে গুরুত্ব বুঝিয়ে দাও

চর্যাপদের আবিষ্কার ও প্রকাশকাল চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। চর্যাপদের কাব্যমূল্য ও গুরুত্ব ১. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম লিখিত দলিল। এটি ১০ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত। ভাষার আদিম রূপ এবং এর বিকাশের স্বরূপ এতে প্রতিফলিত হয়েছে। ২. ভাষার বহুমাত্রিক প্রকৃতি চর্যাপদে প্রাচীন বাংলা ভাষার পাশাপাশি প্রাকৃত, অপভ্রংশ এবং সংস্কৃতের মিশ্রণ … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ কর এবং প্রত্যেকটি পর্বের সাহিত্যিক নিদর্শন এর উল্লেখ কর।

বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ সাধারণত চারটি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়:১. প্রাচীন যুগ২. মধ্যযুগ৩. আধুনিক যুগ৪. উত্তর আধুনিক যুগ ১. প্রাচীন যুগ (৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ – ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ) বৈশিষ্ট্য: সাহিত্যিক নিদর্শন: ২. মধ্যযুগ (১৩৫০ – ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ) বৈশিষ্ট্য: সাহিত্যিক নিদর্শন: ৩. আধুনিক যুগ (১৮০০ – ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ) বৈশিষ্ট্য: সাহিত্যিক নিদর্শন: ৪. উত্তর আধুনিক যুগ (১৯৪৭ – … বিস্তারিত পড়ুন

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কৃত পুথিটির পরিচয় দাও।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কৃত পুথিটির পরিচয় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হল বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্য। ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের একটি গোয়ালঘর থেকে এই কাব্যের খণ্ডিত পুথিটি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে পুথিটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদ যেমন প্রাচীনযুগের প্রথম ও একমাত্র সাহিত্যিক নিদর্শন, তেমনি মধ্যযুগের প্রথম … বিস্তারিত পড়ুন

চৈতন্য জীবনীকার হিসেবে বৃন্দাবন দাসের পরিচয় দাও। অথবা, চৈতন্যজীবনসাহিত্য রূপে বৃন্দাবন দাসের চৈতন্য ভাগবত কাব্যটির বিশিষ্ঠতার পরিচয় দাও।

চৈতন্য জীবনীকার হিসেবে বৃন্দাবন দাসের পরিচয়- চৈতন্য মহাপ্রভুর অন্যতম পার্ষদ শ্রীবাসের ভ্রাতুষ্পুত্রী নারায়ণীর পুত্র হলেন বৃন্দাবন দাস। গ্রন্থমধ্যে বৃন্দাবন পিতার নাম কোথাও উল্লেখ না করলেও মাতা নারায়ণীর পরিচয় দিয়েছেন। বৃন্দাবনের জন্মকথা অনেকটা রহস্যাচ্ছন্ন। মনে করা হয় কবির জন্ম বর্ধমান জেলার দেনুর গ্রামে । বৃন্দাবন দাসের জন্মসন নিয়ে পন্ডিতদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে ঃ (a)          দীনেশচন্দ্র সেনের … বিস্তারিত পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্পের সময়-পর্বের বিভাজন করে সেই পর্বের ছোটোগল্পগুলির বৈশিষ্ট বুঝিয়ে দাও।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্পের সময়-পর্বের বিভাজন করে সেই পর্বের ছোটোগল্পগুলির বৈশিষ্ট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্পের সময়-পর্বের বিভাজন করলে এবং প্রতিটি পর্বের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করলে, তাঁর সাহিত্যিক উন্নয়ন ও চিন্তাধারার প্রগতির প্রমাণ পাওয়া যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্পের প্রধান সময়-পর্বগুলি সাধারণভাবে নিম্নরূপ বিভক্ত করা যায়: ১. প্রাথমিক পর্যায় (১৮৯১-১৯০১) বৈশিষ্ট্য: ২. মধ্যবর্তী পর্যায় (১৯০১-১৯২০) বৈশিষ্ট্য: ৩. পরবর্তী পর্যায় (১৯২০-১৯৪১) … বিস্তারিত পড়ুন

জীবনানন্দ দাশের কাব্যগুলির পরিচয় দিয়ে তাঁর কবিপ্রতিতা আলোচনা করো।

জীবনানন্দ দাশের কাব্যগুলির পরিচয় দিয়ে তাঁর কবিপ্রতিতা জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) বাংলা কবিতার অন্যতম প্রথিতযশা কবি। তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলির পরিচয় এবং কবিপ্রতিতার আলোচনা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে। নিচে তাঁর কাব্যগুলির পরিচয় ও কবিপ্রতিতার বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগুলির পরিচয় “ভুবন ও পৃথিবী” (১৯৩১) “মহাপৃথিবী” (১৯৩৫) “রূপসী বাংলা” (১৯৫৭, মৃত্যুর পরে প্রকাশিত) … বিস্তারিত পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা কর।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের প্রেক্ষাপট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের প্রেক্ষাপট বাংলা সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর উপন্যাসগুলির প্রেক্ষাপট একদিকে যেমন ঐতিহাসিক ও সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন, অন্যদিকে তেমনি তাতে রয়েছে অন্তর্দৃষ্টি, দার্শনিক চিন্তাভাবনা এবং মানবিক মূল্যবোধের গভীরতা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলির প্রেক্ষাপটের কিছু মূল দিক নিম্নরূপ: ১. ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলি সাধারণত ঊনবিংশ ও … বিস্তারিত পড়ুন

মধুসুদনের হাত ধরেই বাংলা নাটকের বিকাশপর্ব শুরু হয়- ব্যাখ্যা করো।

মধুসুদনের হাত ধরেই বাংলা নাটকের বিকাশপর্ব শুরু হয়- ব্যাখ্যা করো। মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) বাংলা নাটকের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর কাজের মাধ্যমে বাংলা নাটকের একটি নতুন দিক উন্মোচিত হয় এবং নাটকের শিল্পের উন্নয়নে তিনি একটি মাইলফলক স্থাপন করেন। নিম্নে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো: ১. নতুন নাট্যশৈলীর প্রবর্তন মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে … বিস্তারিত পড়ুন

গল্পকার হিসেবে নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব বুঝিয়ে দাও।

গল্পকার হিসেবে নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১৯১১-১৯৭০) বাংলা সাহিত্যের একজন উল্লেখযোগ্য গল্পকার। তার গল্পের মধ্যে যে কৃতিত্ব ও বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে, তা তাকে একটি বিশেষ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব এবং তার গল্পকার হিসেবে পরিচিতি বর্ণনা করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: ১. চরিত্রের গভীরতা এবং মানবিক অনুভূতির উন্মোচন নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের … বিস্তারিত পড়ুন