প্রাচীন উত্তরবঙ্গে খেলা ও বিনোদন সম্পর্কে কী জানো লেখো। (What do you know about the Games and Pastimes of Ancient North Bengal.)

প্রাচীন ভারতের মতো প্রাচীন উত্তর বাংলা ও রাজা-মহারাজ-সামন্ত-মহাসাম স্ত প্রভৃতিদের প্রধান বিহারই ছিল শিকার করা বা মৃগয়া। আর অন্ত্যজ ও ম্লেচ্ছ শবর, পুলিন্দ, চণ্ডাল, ব্যাধ প্রভৃতি অরণ্যচারীদের শিকারই ছিল প্রধান উপজীব্য ও বিহার দুটোই। নানান গৃহা এবং ফলকগুলি থেকে জানা যায় কুস্তি বা মল্লযুদ্ধ এবং নানান ধরনের দুঃশাধ্য শারীরক্রিয়া ছিল নিম্নকোটির লোকদের অন্যতম বিহার। পবনদূতে … বিস্তারিত পড়ুন

ডালিম ফোর্টের ইতিহাস সম্পর্কে যা জানো লেখো। (Write a note on Dalimfort.)

ডালিম ফোর্টের ইতিহাস সম্পর্কে যা জানো লেখো

গোসানিমারী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টাকা লেখো। (Write short note about Gosanimari.)

গোসানিমারী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টাকা লেখো

পুণ্ড্রবর্ধনের ভুক্তিতে আমরা কী ধরনের স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা পেয়েছি যার উল্লেখ আমরা বুধগুপ্তের দামোদরপুর তাম্রলিপিতে পাই? (What kind of local administrative system we found in Pundravardhana bhukti with special reference to Damodarpur Copper-plate inscription of Budhagupta?)

বর্তমানে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত দামোদরপুরে গুপ্তসম্রাট বুধগুপ্তের একটি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে। শাসনটির উৎকীর্ণ সময়কাল 482 খ্রিস্টাব্দ। তাম্রশাসনটির মূল বৈশিষ্ট্য হল এই সময় পুণ্ড্রবর্ধনভূক্তিতে আঞ্চলিক শাসন ও জমির দান সম্বন্ধিত বর্ণনা। শাসনের শুরুতেই পুণ্ড্রবর্ধনভুক্তির উপরিক ছিলেন মহারাজ ব্রহ্মদত্ত এবং পৃথিবীপতি বুধগুপ্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শাসনটিতে পলাশবৃন্দক থেকে মহওরাধি অষ্টকুলাধিকরণ অর্থাৎ, পঞ্চায়েত সভা উক্ত গ্রামটির … বিস্তারিত পড়ুন

পুণ্ড্র/পুণ্ড্র জনগণ কারা?   

পুণ্ড্র জনগণ : প্রাচীন বঙ্গভূমির একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ ছিল পুণ্ড্রবর্ধন। ‘পুত্র’ শব্দটি ভৌগোলিক ক্ষেত্র এবং জনজাতি উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে। তবে পূণ্ড জনজাতির প্রকৃত পরিচয় নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। এই পুণ্ড্র রাজ্যের অধিবাসী পুণ্ড্র জনজাতির উৎপত্তি প্রসঙ্গে প্রাচীন গ্রন্থাদিতে বিভিন্ন মতবাদ ব্যক্ত হয়েছে। ‘পৌণ্ড্র’ শব্দের অর্থ হল ইক্ষু বা আখ। ‘পুণ্ড্র’ শব্দের সর্বপ্রথম … বিস্তারিত পড়ুন

তুলাভিটা ঢিবির ওপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

তুলাভিটা ঢিবির : অধুনা পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার হবিবপুর থানার অন্তর্গত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জগজীবনপুর গ্রামটি অবস্থিত। যার অন্তর্গত একটি প্রত্নস্থান হল তুলাভিটা ঢিবি। এই ঢিবি থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে তাম্রশাসন ও একটি ছোটো ভূমিস্পর্শমূদ্রা বিশিষ্ট বুদ্ধমূর্তি, যা এই অঞ্চলটিকে একটি বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ ধর্মচর্চা কেন্দ্ররূপে চিহ্নিত করেছে। এ ছাড়াও এই ঢিবি থেকে পোড়ামাটির প্লেটে বিভিন্ন … বিস্তারিত পড়ুন

বঙ্গ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

বঙ্গ সম্পর্কে টীকা : বঙ্গ  একটি প্রাচীন জনপদ। ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। মহাভারত, রামায়ণ ও হরিবংশেও রয়েছে বঙ্গ প্রসঙ্গ। মহাভারতের আদি অন্যান্য জনপদের সঙ্গে উচ্চারিত হয়েছে বঙ্গের নাম। মহাকবি কালীদাসের ‘রঘুবংশম্’ কাব্যে আছে বঙ্গের অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কিত কিছু তথ্য। তিনি ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় … বিস্তারিত পড়ুন

মহাস্থানগড় সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টাকা লেখো।

মহাস্থানগড় সম্পর্কে টীকা : বর্তমান বাংলাদেশের বগুড়া জেলার অন্তর্গত মহাস্থানগড় প্রাচীন ভারতের ইতিহাস তথা প্রাচীন উত্তরবঙ্গের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে নিয়েছে। প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী করতোয়া নদী মহাস্থানগড়ের ধ্বংসাবশেষের পূর্বদিক দিয়ে প্রবহমান। 1928-29 সালে KN Dikshit-এর তত্ত্বাবধানে সর্বপ্রথম এই অঞ্চলে খননকার্য চালানো হয়। প্রথম পর্বে, জাহাজঘাটা, মুনির গাঁও, বৈরাগীর ভিটা প্রভৃতি স্থানে খননকার্য চালানো হয়। … বিস্তারিত পড়ুন

পান্ডুয়া সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টাকা লেখো।

পান্ডুয়া সম্পর্কে টীকা : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তরে মালদা জেলায় অবস্থিত, পান্ডুয়া শহরটি ‘হজরত পান্ডুয়া’ বা ‘বড় পেন্ডো’ (বৃহত্তর পেন্ডো) নামেও পরিচিত। পান্ডুয়া, গৌড়ের উত্তরে 32 কিলোমিটার এবং ইংরেজ বাজারের প্রশাসনিক কেন্দ্র থেকে প্রায় 19 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কোনো এক সময় বেশ কয়েকজন মুসলমান সাধু ও প্রচারকের বাসস্থান ছিল এই শহরটিতে এবং ‘হযরত’ নামটি এসেছে … বিস্তারিত পড়ুন

বানগড় সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।  

বানগড় সম্পর্কে টীকা : প্রাচীন উত্তরবঙ্গের ইতিহাসে বানগড় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহ্যবাহী স্থান। কোটিবর্ষ, শোনিতপুরা, উমাবন, দেবীকোট ইত্যাদি বিভিন্ন নামে পরিচিত হয়, কালভেদে বানগড় পরিচিত হয়েছে। বর্তমানে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর বাজারের সন্নিকটে পুনর্ভবা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলকে প্রাচীন বানগড়ৰূপে চিহ্নিত করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের এই অঞ্চলেই সর্বপ্রথম খননকার্য সম্পাদন করা হয়েছিল। অধ্যাপক K G Goswami … বিস্তারিত পড়ুন