মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ সম্পর্কে আলোচনা করো।

বাংলা সাহিত্যে প্রথম ও শ্রেষ্ঠতম মহাকাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’। কাব্যটি ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এরপর হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুই খণ্ড একত্রে ‘প্রকাশিত হয়। মধুসূদন এ কাব্যের কাহিনি নিয়েছেন রামায়ণ থেকে। মধুসূদনের প্রিয় চরিত্র ছিল রাবণ। সেই দাস্তিক রাবণ চরিত্রের হাহাকারই মধুকবি এখানে তুলে ধরেছেন। কাব্যের ঘটনা তিন দিন দুই রাত্রি। কাব্যের … বিস্তারিত পড়ুন

জীবনানন্দ দাশের কাব্যে ইতিহাস চেতনার পরিচয় দাও।

জীবনানন্দ যেমন প্রকৃতির কবি, তেমনি তিনি ইতিহাস-সচেতন কবি। ইতিহাস-চেতনা ও সময়-চেতনা তাঁর কাব্যে পাশাপাশি সহাবস্থান করে আছে। তিনি নিজেই জানিয়েছেন মহাবিশ্বলোকের ইশারার থেকে উৎসারিত সময়-চেতনা আমার কাব্যে একটি সলাতিসাধক অপরিহার্য সত্যের মতো; কবিতা লিখবার পথে কিছুদূরে অগ্রসর হয়েই এ আমি বুঝেছি, গ্রহণ করেছি।” মিশর, বিদিশা, উজ্জয়িনী, গ্রিস, অশোকের কাল থেকে তিনি কনফুশিয়াসের জগতে প্রবেশ করেছেন। … বিস্তারিত পড়ুন

জীবনানন্দ দাশের দুটি কাব্যের নাম উল্লেখ করো। জীবনানন্দ দাশের কাব্যে প্রকৃতিচেতনার পরিচয় দাও।

জীবনানন্দ দাশের দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বনলতা সেন’ ও ‘মহাপৃথিবী’। জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতির কবি। প্রকৃতির নির্জনতার মধ্যেই তিনি বিরাজ করতে ভালোবাসতেন। বাংলাদেশের ফুল, পাখি, নদী তাঁকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করেছিল। বাংলাদেশের অতি পরিচিত তুচ্ছ তুচ্ছ গাছপালার পরিচয় তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন। ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যে বাংলাস্ত্রেশের নিসর্গ চিত্রকে যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা অনবদ্য। হেমন্ত, ফসলের মাঠ, মাঠ, শালিক, চিল, … বিস্তারিত পড়ুন

জীবনানন্দ দাশের দুটি কাব্যের নাম উল্লেখ করো। জীবনানন্দ দাশের কাব্যে প্রকৃতি চেতনার পরিচয় দাও।

জীবনানন্দ দাশের দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বনলতা সেন’ ও ‘মহাপৃথিবী’। জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতির কবি। প্রকৃতির নির্জনতার মধ্যেই তিনি বিরাজ করতে ভালোবাসতেন। বাংলাদেশের ফুল, পাখি, নদী তাঁকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করেছিল। বাংলাদেশের অতি পরিচিত তুচ্ছ তুচ্ছ গাছপালার পরিচয় তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন। ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যে বাংলাস্ত্রেশের নিসর্গ চিত্রকে যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা অনবদ্য। হেমন্ত, ফসলের মাঠ, মাঠ, শালিক, চিল, … বিস্তারিত পড়ুন

‘ভোগবাদী কবি’ হিসেবে কে পরিচিত? তাঁর দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম উল্লেখ করো। তাঁকে কেন ভোগবাদী কবি বলা হয়?

বাংলা সাহিত্যে মোহিতলাল মজুমদার ‘ভোগবাদী কবি’ হিসেবে পরিচিত। মোহিতলাল মজুমদারের দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম হল-‘স্বপনপসারী’ (১৯২২) ও ‘বিস্মরণী’ (১৯২৭)। • মোহিতলালের কাব্যের মূল বিষয় হল দেহবাদ ও ভোগবাদ। জীবনের ক্ষেত্রে, প্রেমের ক্ষেত্রে তিনি দেহকে অস্বীকার করেননি। কামনা-বাসনাসর্বস্ব যে মানুষ, সেই মানুষের কথা তিনি বারবার বলতে চেয়েছেন। কামনাকে বিসর্জন দিয়ে বা ভুলে থাকার অভিনয় করে কাবাসজ্জা তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

দূঃখবাদী কবি’ হিসেবে কে পরিচিত? তাঁর কাব্যে দুঃখবাদের পরিচয় দাও।

দুঃখবাদী কবি হিসেবে যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত পরিচিত। তাঁর কাব্যে প্রবলভাবে দুঃখবাদের সুর ধ্বনিত হয়েছে। সমাজ, সময়কে তিনি দেখেছেন দুঃখের পিন্ড হিসেবে। তাঁর ‘মরীচিকা’, ‘মরুমায়া’, ‘মরুশিখা’ কাব্যে প্রবল দুঃখের সুর ফুটে উঠেছে। সুশান্ত বসু ‘যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যসংগ্রহ’-এর ভূমিকায় লিখেছেন-“যতীন্দ্রনাথ শোনালেন তাঁর রোমান্টিকতাবিরোধী দুঃখবাদী জীবনদর্শনের এক নতুন সুর। যে দুঃখবাদ কিন্তু কোনো নেতিবাদী নৈরাশ্যপীড়িত জীবনানুভব নয়, মানুষের প্রতি … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে কে পরিচিত? তাঁর কাব্যে বিদ্রোহী সত্তার পরিচয় দাও।

বিদ্রোহী কবি হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম পরিচিত। তাঁর কাব্যে সর্বদা বিদ্রোহ ও প্রতিবাদের সুর ধ্বনিত হয়েছে। সামাজিক শোষণ, অত্যাচারের বিরুদ্ধে তাঁর কলম গর্জে উঠেছে। সমাজের নানা ধরনের ভণ্ডামির মুখোশ তিনি খুলে দিয়েছেন। ব্রাহ্মণ্যশাসন, মৌলবাদী অত্যাচার, শাসকের রক্তচক্ষু, ইংরেজ সরকারের নানা জুলুমবাজি, সাধারণ মানুষকে শোষণ, কৃষক-শ্রমিককে সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত করা-সমস্ত শোষণ, ভণ্ডামির বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ, … বিস্তারিত পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ কোন্ গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান? সেখানে কতগুলি কবিতা ছিল? কবিতাগুলি কোন্ কোন্ কাব্য থেকে গৃহীত হয়েছিল?

রবীন্দ্রনাথ ‘Song Offerings’ গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের কতকগুলি গান ও কবিতার ইংরেজি অনুবাদ। ‘Song Offerings’-এ ১০৩টি কবিতা ছিল। ১০৩টি কবিতার মধ্যে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য থেকে ৫৭টি, ‘গীতিমাল্য’ কাব্য থেকে ১৫টি, ‘নৈবেদ্য’ কাব্য থেকে ১৬টি, ‘খেয়া’ কাব্য থেকে ১১টি, ‘শিশু’ কাব্য থেকে ৩টি এবং ‘কল্পনা’, ‘চৈতালি’, ‘স্মরণ’, ‘উৎসর্গ’, ‘অচলায়তন’ থেকে একটি করে কবিতা স্থান … বিস্তারিত পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিক পর্বের কাব্যগুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিক পর্বের কাব্যগুলির মধ্যে রয়েছে ‘খেয়া’, ‘গীতাঞ্জলি’, ‘গীতিমাল্য’ ও ‘গীতালি’। এই পর্বে এসে রবীন্দ্রনাথ প্রাচীন ভারতীয়ত্ববোধ থেকে আধ্যাত্মিক জগতে প্রবেশ করেন। প্রমথনাথ বিশীর মতে-“খেয়া মৃত্যুর কাব্য নহে, জীবনের কাব্য-নবতর জীবনের এবং নবতর কর্মপ্রবাহের।” এই কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলি হল-‘শেষ খেয়া’, ‘আগমন’, ‘পথিক’, ‘বিদায়’, ‘পথের শেষ’ ইত্যাদি। ‘শেষ খেয়া’ কবিতায় শুনতে পাই-“দিনের শেষে ঘুমের দেশে ঘোমটা … বিস্তারিত পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের প্রথম পর্যায়ের কাব্যগুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে পরিচয়দাও। – রবীন্দ্রনাথের প্রথম পর্যায়ের কাব্যগুলির মধ্যে রয়েছে ‘কবিকাহিনী’, ‘বনফুল’,

রবীন্দ্রনাথের পদ্মাপারের কাব্যগুলির মধ্যে রয়েছে ‘সোনারতরী’, ‘চিত্রা’ ও ‘চৈতালি’। ‘সোনারতরী’ কাব্যটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দে। কাব্যটি উৎসর্গ করেন দেবেন্দ্রনাথ সেনকে। এ কাব্যের ভূমিকায় কবি জানিয়েছেন-“বাংলাদেশকে তো বলতে পারি না বেগানা দেশ; তার ভাষা চিনি, তার সুর চিনি। ক্ষণে ক্ষত্রে যতটুকু গোচরে এসেছিল তার চেয়ে অনেকখানি প্রবেশ করেছিল মনের অন্দরমহলে আপন বিচিত্র রূপ নিয়ে।” এ কাব্যের … বিস্তারিত পড়ুন