স্বরবৃত্ত ছন্দের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষেপে লেখো।

অথবা, স্বরবৃত্ত ছন্দ কাকে বলে? স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর। স্বরবৃত্ত ছন্দ কাকে বলে? যে ছন্দ রীতিতে উচ্চারণের লয় বা গতিবেগ দ্রুত, যাতে যতি ও শ্বাস পড়ে ঘন ঘন, পর্ব হয় হ্রসতম অর্থ্যাৎ চার মাত্রার, যার প্রতি পর্বের আদিতে একটি প্রবল স্বর বা শ্বাসাঘাত পড়ে এবং যে ছন্দে অক্ষর মাত্রই এক মাত্রার তাকে স্বরবৃত্ত ছন্দ … বিস্তারিত পড়ুন

উদাহরণসহ সংজ্ঞা লেখো পদ, চরণ, স্তবক।

পদ(Clause): মধ্য-যতির দ্বারা বিভক্ত ও পর্ব থেকে বৃহত্তর বাখ্যাংশকে পদ বা Clause বলে। তিন রকমের যতি আছে, হ্রস্ব-যতি, মধ্য-যতি ও পূর্ণ-যতি। বাক্যের উচ্চারণ-কালে শ্বাস গ্রহণের জন্য যে অল্পক্ষণ বিরতির প্রয়োজন পড়ে তাকে হ্রস্ব-যতি, এবং যে বেশিক্ষণ বিরতির প্রয়োজন হয় তাকে পূর্ণ-যতি বলে। এই দুয়ের মাঝামাঝি আর একটি যতি আছে তাকে মধ্য-যতি বলে। এটি হ্রস্ব-যতি থেকে … বিস্তারিত পড়ুন

অতি সংক্ষেপে ভাওয়াইয়ার বৈশিষ্ট্য লেখো।

ভাওয়াইয়ার বৈশিষ্ট্য: উঁচু-নিচু রাস্তায় গাড়ির চাকা পড়লে তার গানের সুরে আধো-ভাঙ্গা বা ভাঁজ পড়ে। এই রকম সুরে ভাঙ্গা বা ভাঁজ পড়া গীতরীতিই ‘ভাওয়াইয়া’ গানে লক্ষণীয়। প্রেম-বিয়োগে উদ্বেলিত গলার স্বর জড়িয়ে যেরকম হয়, সেরকম একটা সুরের ভাঁজ উঁচু স্বর হতে ক্রমশঃ নিচের দিকে নেমে আসে। সুরে ভাঁজ পড়া ভাওয়াইয়া গানের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য। ভাওয়াইয়ার সুর ও ছন্দ: … বিস্তারিত পড়ুন

ডোকরা কোথাকার লোকশিল্প? ডোকরা কিভাবে তৈরী হয়?

পশ্চিমবঙ্গের ডোকরা শিল্পপ্রধানত ঝাড়খণ্ড থেকে এই শিল্প পুরুলিয়া হয়ে এই শিল্প রাজ্যের পশ্চিম প্রান্তের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেগুলির মধ্যে অন্যতম জেলাগুলো হল- বাঁকুড়া, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর। পশ্চিমবঙ্গে ডোকরা শিল্পের প্রসার ঘটে আজ থেকে কয়েকশো বছর পূর্বে। প্রধানত ঝাড়খণ্ড থেকে এই শিল্প পুরুলিয়া হয়ে এই শিল্প রাজ্যের পশ্চিম প্রান্তের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ে। … বিস্তারিত পড়ুন

অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলতে কি বোঝো? উদাহরণ দাও।

অথবা, অমিত্রাক্ষর ছন্দ কাকে বলে ?বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম ব্যবহার কে কোথায় করেন ?অমিত্রাক্ষর ছন্দের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা কর । অথবা,অমিত্রাক্ষর ছন্দ কাকে বলে ?বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম ব্যবহার কে কোথায় করেন ?অমিত্রাক্ষর ছন্দের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা কর । অমিত্রাক্ষর ছন্দ কাকে বলে ? কাব্যে যে ছন্দে চরণদ্বয়ের অন্ত্যবর্ণের মিল থাকে না, তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ … বিস্তারিত পড়ুন

টিকা লেখোঃ শ্লেষ,

অথবা, উদাহরণসহ সংজ্ঞা লেখোঃ শ্লেষ অলংকার। অথবা, শ্লেষ অলংকার কাকে বলে উদাহরণ দাও? শ্লেষ অলংকার কত প্রকার ও কি কি? এর বৈশিষ্ট্য? শ্লেষ অলংকার কাকে বলে : একটি শব্দের একটিমাত্র উচ্চারণে একাধিক অর্থ প্রকাশ পেলে যে শ্রুতিমাধুর্যের সৃষ্টি হয়, তার নাম শ্লেষ (শব্দশ্লেষ) অলঙ্কার। শ্লেষ অলংকারের বৈশিষ্ট্য : ১. উচ্চারিত শব্দটিকে না ভেঙে একাধিক অর্থ … বিস্তারিত পড়ুন

শব্দালঙ্কার কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

অথবা,শব্দালঙ্কার কাকে বলে ? শব্দালঙ্কারের শ্রেণিবিভাগ গুলির পরিচয় দাও। শব্দালঙ্কার কাকে বলে? শব্দের ধ্বনিরূপকে আশ্রয় করে যে অলঙ্কারের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় শব্দালংকার অর্থাৎ শব্দকে ঘিরে এ অলংকারের সৃষ্টি। এর মূল সৌন্দর্য টুকু ফুটে উঠে শব্দের ধ্বনিরূপে। মনে রাখতে হবে শব্দালংকারের অলংকার নির্ভর করে শব্দের ওপর। তাই ইচ্ছে মতো তাকে বদলে দেওয়া যায় না। … বিস্তারিত পড়ুন

উদাহরণসহ সংজ্ঞা দাও রূপক আলংকার

রূপক আলংকার : যে সব শব্দ বাক্যকে নতূন রূপদেয় আর্থাত , শব্দকে অলংকারিত করে , সেই অলংকারকে বলা হয় রূক অলংকার , নারি যেমন অলংকার পরিধানের মাধ্যমে নিজের উতর্কষতা বৃদ্ধিকরে , শব্দ তেমন রূপক ব্যবহ্যারের মাধ্যমে স্ব উতর্কষতা বৃদ্ধিকরে। উদাহরন; এমন মানব জমিন র ইলো পতিত , আবাদ করিলে ফলিত সোনা । রূপক আলংকারের শ্রেণিবিভাগ … বিস্তারিত পড়ুন

প্রন্থাগার উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে একটি প্রতিবেদন রচনা করো।

প্রন্থাগার উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে একটি প্রতিবেদন রচনা: প্রতিবেদন: প্রন্থাগার উদ্বোধনস্থান: চোপড়া কলেজতারিখ: ২৫শে জৈষ্ঠ্য ১৪৩১প্রতিবেদনকারীর নাম: কার্তিক দাস  উদ্বোধনী অনুষ্ঠান: চোপড়া কলেজে  প্রন্থাগার উদ্বোধন | গত ২৫শে জৈষ্ঠ্য ১৪৩১ তারিখে চোপড়া কলেজ এ নতুন প্রন্থাগারের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক অজিত সিংহ । প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তৃতায় … বিস্তারিত পড়ুন