মহেন-জো-দারোতে প্রাপ্ত স্নানাগারটির গুরুত্ব আলোচনা করো।

মহেন-জো-দারোতে দুর্গের কাছেই একটি স্নানাগার আবিষ্কৃত হয়েছে। এই স্নানাগারকে সিন্ধু সভ্যতার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বলা যায়। এই স্নানাগারের বাইরের দিকের মাপ ছিল 180 × 108 ফুট। স্নান করবার জলাধারটির মাপ ছিল 39 23 ফিট এবং গভীরতা ৪ ফুট। জলধারটিতে জল ঢোকাবার ও বের করবার ব্যবস্থা ছিল। এর একপাশে বসবাস মন্টু ছিল। জলাধারের অন্য তিন পাশে … বিস্তারিত পড়ুন

হরপ্পা সভ্যতা ও বৈদিক সভ্যতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।

সিন্ধু সভ্যতার সঙ্গে বৈদিক সভ্যতার সম্পর্ক প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের একটি বিতর্কিত বিষয়। তবে জন মার্শাল ও বেশির ভাগ আধুনিক ঐতিহাসিক মনে করেন দুই সভ্যতা ভিন্ন এবং উভয়ের মধ্যে সাদৃশ্যের থেকে বৈসাদৃশ্যই বেশি। সিন্ধু সভ্যতা ছিল নগরকেন্দ্রিক, বৈদিক সভ্যতা ছিল গ্রামীণ। সিন্ধুবাসী তামা, টিন, ব্যবহার করত। আর্যরা তামা ও টিনের সঙ্গে লোহাও ব্যবহার করত। সিন্ধু নগরের … বিস্তারিত পড়ুন

টীকা লেখো: লোখাল।

গুজরাটের আমেদাবাদ জেলার সারাগওয়ালা গ্রামের নিকটে অবস্থিত অন্যতম হরপ্পীয় বসতি লোখাল। গুজরাটি ভাষায় ‘লোখাল’ শব্দের অর্থ ‘মৃতের স্থান’। 1967 সালে এস আর রাও উৎখননের মাধ্যমে লোখাল আবিষ্কার করেন। লোখালের তিনটি প্রধান অংশ, যথা-প্রতিরক্ষা দুর্গ, নীচু নগর এবং জাহাজঘাটা। জাহাজঘাটনটি ট্রাপিজাকার গামলার মতো এবং পোড়া ইটের তৈরি। এর গভীরতা 2.5 মিটার ও দৈর্ঘ্য কার্নেলিয়ান, অ্যাগেট, জেসপার, … বিস্তারিত পড়ুন

টাকা লেখো: ধোলাবিরা।

ধোলাবিরা গুজরাটের কাছে অবস্থিত। এখানে 1400 বছর ধরে একটি হরজীর নগরের অস্তিত্ব ছিল। আর এস বিল্ট খননকার্য চালিয়ে বলেন যে, এখানে 2900-1000 খ্রিস্টপূর্বাব্দে ধোলাবিরা একটি নগর হিসেবে বিরাজ করেছিল এবং এখান থেকে একটি সভ্যতার আদ্যন্ত কাহিনি জানা সম্ভব হয়েছে। ধোলাবিরার সর্বাপেক্ষা বিস্ময়কর স্থাপত্য এর দুর্গ। একটা দরজায় পাওয়া গেছে 10টি হরপ্পালিপি সংবলিত একটা ‘সাইনবোর্ড’। জনবসতির … বিস্তারিত পড়ুন

টাকা লেখো: কালিরদান।

রাজস্থানের গঙ্গানগর জেলার যাগরের তটে অবস্থিত যাক্ হরনীয় ও হরমীয় কেন্দ্র কালিব্যান। হরমার মতো এখানেও পাওয়া গেছে ঝাড়িঘর আর রাস্তাঘাট। তবে এখানে জলনিকাশি ব্যবস্থা অনুপস্থিত ছিল। আবাসগুলিতে দেখা গেছে আয়তাকার ও গোলাকার উনান। বাড়িগুলি ছিল কাঁচা ইটের তৈরি। মাত্র একটি নকশা করা টালি পাতা ঘরের মেঝে পাওয়া গেছে। প্রতিরক্ষা দুর্গের দক্ষিণে পাওয়া গেছে কাঠের মঞ্চ, … বিস্তারিত পড়ুন

হরপ্পা সভ্যতার পৌর শাসনব্যবস্থা কেমন ছিল?

হরপ্পা সভ্যতার নগরগুলিতে কী ধরনের শাসনব্যবস্থা প্রচলিত ছিল সে সম্পর্কে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই। এ ব্যাপারে ঐতিহাসিকগণ নানা মতামত প্রকাশ করেছেন। বিরাট এলাকা জুড়ে একই ধরনের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ওজন-মাপ দেখে ঐতিহাসিকরা মনে করেন যে, এখানে একটি কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। ড. এস কে সরস্বতী বলেন যে, হরপ্পার নগরগুলির সংগঠন দেখে মনে হয় যে, এখানে একটি … বিস্তারিত পড়ুন

সিন্ধু সভ্যতাকে হরপ্পা সভ্যতা বলা হয় কেন?

সিন্ধুনদকে কেন্দ্র করে মহান সিন্ধু সভ্যতার বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটে বলে “Archaeological Survey of India’-র তদানীন্তন অধিকর্তা স্যার জন মার্শাল এই সভ্যতার নামকরণ হিসেবে ‘সিন্ধু সভ্যতা’ নামটি ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু সর্বাধুনিক খননকার্যের ফলে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই সভ্যতার নাম হিসেবে ‘সিন্ধু সভ্যতা’ নামটি আর পর্যাপ্ত বা সম্পূর্ণ মনে হচ্ছে না। তাই এই সভ্যতার নতুন নাম … বিস্তারিত পড়ুন

ভারতের ইতিহাসে হরপ্পা সভ্যতা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

হরপ্পা সভ্যতা সম্পর্কে আমাদের সমস্ত ধারণা প্রত্নতত্ত্বনির্ভর এবং নতুন নতুন অনুসন্ধান ও গবেষণার ফলে অন্যান্য জ্ঞানের মতো প্রতিদিনই ক্রমবর্ধমান। হরয়া সভ্যতা ভারতীয় সভ্যতাকে প্রাচীন পৃথিবীর সমকালীন নদীমাতৃক সভ্যতার সঙ্গে এবং সারিতে প্রতিষ্ঠিত করেছে। হরপ্পা সভ্যতার সঙ্গে মেসোপটেমীয় সভ্যতার সংযোগ এখন পুরাতাত্ত্বিকদের গবেষণার বিষয়। হরপ্পা সভ্যতা ভারতীয় সভ্যতার কালসীমাকে দূর অতীতে প্রসারিত করেছে। পূর্বে মনে করা … বিস্তারিত পড়ুন

হরপ্পা সভ্যতার পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থা সম্পর্কে লেখো।

হরপ্পা সভ্যতার নগরগুলির বাসগৃহের জলনিকাশি ব্যবস্থা ছিল খুবই উন্নত। প্রতি বাড়ির জল বের হওয়ার জন্য পোড়ামাটির ইটের তৈরি নালি ছিল। এই নালিপথে জল নির্গত হয়ে রাস্তার পয়ঃপ্রণালীতে পড়ত। রাস্তার পাশে গর্ত করে নর্দমা তৈরি করা হত। এই নর্দমা পাথরের ঢাকনা দ্বারা চাপা দেওয়া থাকত। জলের দ্বারা বাহিত আবর্জনাকে আটকাবার জন্য মাঝে মাঝে বিশেষ ধরনের ব্যবস্থা … বিস্তারিত পড়ুন

‘হরপ্পার সীলমোহর’ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টাকা লেখো।

অথবা, সিজুলিপি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টাকা লেখো। হরপ্পা সভ্যতার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে পোড়ামাটি, তামা ও ব্রোঞ্জের প্রচুর সীল আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলির সংখ্যা প্রায় দু-হাজার। ঐতিহাসিকদের অনুমান প্রধানত ব্যাবসাবাণিজ্যের জন্যই ওইসব সীল তৈরি হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এগুলি ব্যবহৃত হত। কারণ সুসা এবং মেসোপটেমিয়ার নগরগুলিতেও হরপ্পা সভ্যতার সীল আবিষ্কৃত হয়েছে। এইসব সীলে বিভিন্ন জীবজন্তু ও জলযানের … বিস্তারিত পড়ুন

bn_BDBengali
Powered by TranslatePress