দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলির নাম উল্লেখ করে এই ধারার নাটকে তাঁর কৃতিত্ব আলোচনা করো।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচিত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে জীবদ্দশায় প্রকাশিত আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ) ও মন্দ্র বিখ্যাত। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য একঘরে, কল্কি-অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার-পতন, নূরজাহান, সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল-বিজয় ইত্যাদি। ভূমিকা: বাংলা নাট্য সাহিত্যে মধুসূদন দীনবন্ধু, গিরীশচন্দ্র ঘোষের অবিস্মরণীয় অবদান বাংলা নাট্য ধারাকে বিপুল প্রসারী করে যে আবহমণ্ডল সৃষ্টি করেছিল … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা কবিতায় কবি ঈশ্বরগুপ্তের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।

বাংলা কাব্যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ তথা ভারতচন্দ্রের মৃত্যুর পর তেমন কোন পালাবদলের ইঙ্গিত বাংলা কাব্যসাহিত্যে ফুটে ওঠেনি। ভারতচন্দ্রীয় আদিরসের ফেনিল উচ্ছ্বাস, আর কবিওয়ালাদের উচ্চকিত উল্লাস বাংলা সাহিত্যে শুধুমাত্র সামান্য পরিবর্তনের রেশ এনেছিল। তারপর রঙ্গলাল এসে ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে সর্বপ্রথম নতুন কাব্যবস্তুর নান্দীপাঠ করলেন। মধুসূদন নতুন নতুন কুশীলব নিয়ে শুরু করলেন তাঁর রচনা। সেই … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা গদ্য সাহিত্যে শ্রীরামপুর মিশনের ভূমিকা ও গুরুত্ব লেখো।

শ্রীরামপুর মিশনের ভূমিকা: বাংলা গদ্যের চর্চার ক্ষেত্রে শ্রীরামপুর মিশনের অবদান অনেকখানি। প্রধানত বঙ্গদেশে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্যই কলকাতার নিকটবর্তী হুগলির শ্রীরামপুরে এই মিশন প্রতিষ্ঠা করেন ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে খ্রিস্টান মিশনারীরা। ইংরেজ শাসন শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিদিনের কাজকর্মে এবং জীবিকার প্রয়ােজনে শিক্ষার গুরুত্ব দ্রুতবেগে বাড়তে থাকে। ইংরেজরা শাসনকার্য পরিচালনার জন্য গদ্য চর্চা করতে থাকেন। বিশেষ প্রয়ােজনবােধকে সামনে … বিস্তারিত পড়ুন

নাসিক্যী ভবন কাকে বলে? উদাহরণসহ লেখো।

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণকালে শ্বাসের বায়ু মুখ দিয়ে বের না হয়ে নাক দিয়ে বের হয়, সেগুলোকে নাসিক্য বা আনুনাসিক ব্যঞ্জনধ্বনি বলা হয়। বর্তমান বাংলা ভাষায় তিনটি নাসিক্য ধ্বনিমূলগুলো আছেঃ “ঙ”, “ন”, ও “ম”। কিছু কিছু ব্রাউজার এই পৃষ্ঠার আ-ধ্ব-ব বর্ণগুলো ঠিক মত প্রদর্শন করতে পারবে না।

স্বরসংগতি কাকে বলে? উদাহরণসহ-এর প্রকারভেদগুলির নাম উল্লেখ করো।

একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন:– দেশি (দ্+এ+শ্+ই) – দিশি (দ্+ই+শ্+ই); মুলা (ম্+উ+ল্+আ) – মুলো (ম্+উ+ল্+ও) ইত্যাদি।  স্বরসঙ্গতি ৫ প্রকার যথা: প্রগত, পরাগত, মধ্যগত, অন্যোন্য এবং চলতি বাংলা স্বরসঙ্গতি)

দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসনগুলির নাম লেখো। তাঁর শ্রেষ্ঠ প্রহসনের প্রধান চরিত্রের নাম কী?দীনবন্ধু মিত্র প্রহসন

দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসনগুলি সাতটি নাটক ও প্রহসন লিখেছিলেন। ‘নীলদর্পণ'(১৮৬০), ‘নবীন তপস্বিনী'(১৮৬৩), ‘কমলে কামিনী'(১৮৭৩)- এই তিনটি তাঁর গভীর রসের নাটক। আর চারটি প্রহসন হল ‘বিয়ে পাগলা বুড়ো'(১৮৬৬), ‘সধবার একাদশী'(১৮৬৬) ‘লীলাবতী'(১৮৬৭), ‘জামাই বারিক'(১৮৭২)

বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি? এটি কার লেখা এবং কবে প্রকাশিত হয়?

বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত ফুল মণি করুণার বিবরণ নামীয় গ্রন্থটিকে বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাসোম রচনা হিসাবে গণ্য করা হয়। ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা আলালের ঘরের দুলাল নামীয় আখ্যানে উপন্যাসের বৈশিষ্ট্যাবলী সুচিহ্নিত হয়েছিল।

ত্রয়ী মহাকাব্য-এর নাম লেখো। এগুলি কার রচনা?

ত্রয়ী মহাকাব্য-নবীন চন্দ্র সেনের রৈবতক, কুরুক্ষেত্র এবং প্রভাস-এই তিন মহাকাব্যকে একত্রে ত্রয়ী মহাকাব্য বলে। এই কাব্য তিনটিতে কৃষ্ণচরিত্রকে কবি বিচিত্র কল্পণায় নতুনভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। কবির মতে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির সংঘর্ষের ফলে কুরুক্ষেত্রযুদ্ধ হয়েছিল।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক গোষ্ঠীর নাম ও তাঁদের গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক 1.উইলিয়াম কেরি (১৭৬১ – ১৮৩৪) ১৮০১ সাল থেকে ১৮৩১ সাল পর্যন্ত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে শিক্ষাদান করেন। 2. জন বোর্থউইক গিলক্রিস্ট (জুন ১৭৫৯ – ১৮৪১) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (১৭৬২ 3. তারিণীচরণ মিত্র (১৭৭২ – ১৮৩৭) ছিলেন ইংরেজি, উর্দু, হিন্দি, আরবি ও ফার্সি ভাষায় পণ্ডিত।