অভীক্ষার যথার্থতার সংজ্ঞা দাও। যথার্থতার বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

শিক্ষাক্ষেত্রে অভীক্ষা খুবই পরিচিত একটি পদ। যারা শিক্ষাবিজ্ঞান পড়েছেন তদের এই অভীক্ষ পদ বা প্রত্যয় নিয়ে স্পষ্ট ধারণা আছে। তবে এখানে অভীক্ষা কী এবং অভীক্ষার বৈশিষ্ট্য নিয়ে অল্প কথা বলা হবে, যারা জানেন না তাদের উদ্দেশে। অভীক্ষা কী? অভীক্ষা হলো কতগুলো প্রশ্নের সমষ্টি যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে কারো জ্ঞান, দক্ষতা বা সামর্থ্য যাচাই করা … বিস্তারিত পড়ুন

অভীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা বলতে কী বোঝো? অভীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা হ্রাসের কারণ, অভীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা নির্ণয়ের পদ্ধতি

আদর্শায়িত অভীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল- নির্ভরযোগ্যতা, একই অভীক্ষা একই শিক্ষার্থী দলের ওপর বারবার প্রয়োগ করবার পর যদি একই ফল পাওয়া যায় তাহলে বলা হবে অভীক্ষাটিকে নির্ভরযোগ্য। নির্ভরযোগ্যতার দ্বারা অভীক্ষাটি কতটা নির্ভুল নিখুঁত তা পরিমাপ করা হয়। সাধারণ অর্থে কোন পরিমাপের সামঞ্জস্যপূর্ণ স্থিরতাকে বা অপরিবর্তনীয় তাকে বলা হয় তার নির্ভরযোগ্যতা। একটি উদাহরণের সাহায্যে নির্ভরযোগ্য তাকে … বিস্তারিত পড়ুন

অভীক্ষার বিভিন্ন ধরনের নির্ভর যোগ্যতা গুলি আলোচনা করো।

নির্ভরযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি: একটি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত ব্যবধানের সাথে একই গ্রুপে পরিচালিত হয়। স্কোর সারণী করা হয় এবং পারস্পরিক সম্পর্ক গণনা করা হয়। পারস্পরিক সম্পর্ক যত বেশি হবে নির্ভরযোগ্যতা তত বেশি। বিজোড় এবং জোড় আইটেমের স্কোর নেওয়া হয় এবং স্কোরের দুটি সেটের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়। সমান্তরাল ফর্ম পদ্ধতি: নির্ভরযোগ্যতা একই পরীক্ষার … বিস্তারিত পড়ুন

রচনাধর্মী এবং নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষার মধ্যে পার্থক্য লেখ।

১. পদ্ধতিগত ক্ষেত্রে :- রচনাধর্মী অভীক্ষায় খুব সহজেই পাঠ্যবিষয় থেকে কয়েকটি রচনাত্মক প্রশ্ন নির্বাচন করে শিক্ষক খুব সহজেই শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞানের পরিমাপ করতে পারেন। কিন্তু নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষার জন্য অপেক্ষাকৃত অনেক প্রশ্নের প্রয়োজন হয়। এটি পরিশ্রম সাপেক্ষ ও সময়সাপেক্ষ। ২. স্বাধীন চিন্তাশক্তি ও মতামত প্রদানের ক্ষেত্রে :- রচনাধর্মী অভীক্ষার মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনভাবে তাদের চিন্তাশক্তি , … বিস্তারিত পড়ুন

রচনাধর্মী অভীক্ষা কাকে বলে ?রচনাধর্মী অভীক্ষার বৈশিষ্টগুলি আলোচনা কর।

রচনাধর্মী অভীক্ষার ধারণা ও বৈশিষ্ট: রচনাধর্মী অভীক্ষা হল – যেধরনের অভীক্ষা পদ্ধতিতে প্রবন্ধমূলক উত্তর প্রদান করা যায় , উত্তর রচনার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে এবং শিক্ষার্থীর নিজের বক্তব্য প্রকাশের সুযোগ থাকে। এই ধরণের অভীক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী একটি নিদিষ্ট বিষয় সম্পর্কে নিজের ধ্যান – ধারণা বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করতে পারে। রচনাধর্মী অভীক্ষার বৈশিষ্টগুলি হল –  ১.স্বাধীনতা হল … বিস্তারিত পড়ুন

শিক্ষামূলক রাশিবিজ্ঞানের ধারণা দাও। শিক্ষামূলক রাশিবিজ্ঞানের পরিধি ও প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।

শিক্ষামূলক রাশিবিজ্ঞান: রাশি বিজ্ঞানের যে শাখার মাধ্যমে। শিক্ষামূলক তথ্যগুলিকে সংগ্রহ করে যথাযথভাবে বিন্যস্ত এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাৎপর্য নির্ণয় করা হয়, তাকে শিক্ষাগত রাশিবিজ্ঞান বলে। শিক্ষামূলক রাশিবিজ্ঞানের পরিধি ও প্রয়োজনীয়তা : বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে রাশিবিজ্ঞানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। শিক্ষাক্ষেত্রে রাশিবিজ্ঞান বিভিন্নভাবে সাহায্য করে। শিক্ষা-রাশিবিজ্ঞানের উপযােগিতাগুলি সম্পর্কে নীচে আলােচনা করা হল— শিক্ষার্থীর অগ্রগতি পরিমাপ: শিক্ষার একটি মূল উদ্দেশ্য হল … বিস্তারিত পড়ুন

পরিমাপ বলতে কি বোঝো ? বিভিন্ন ধরনের পরিমাপক স্কেলগুলির বিস্তারিত আলোচনা করো।

পরিমাপ কাকে বলে? কোন কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করাকে পরিমাপ বলে। যে কোন ভৌত সত্তা সম্পর্কে পরিমাণগত ধারণার জন্য পরিমাপের প্রয়োজন। দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন প্রয়োজনে আমরা নানা রকম পরিমাপ করে থাকি। পরিমাপের উদাহরণ : পরিমাপের একক : কোন ভৌত রাশিকে পরিমাপ করতে হলে ঐ জাতীয় রাশির একটা নির্দিষ্ট ও সুবিধাজনক অংশ বা খণ্ডকে প্রমাণ হিসেবে ধরে সমগ্র রাশিটি বা বস্তুটি … বিস্তারিত পড়ুন

৭৩তম সংবিধান সংশোধনী আইনের পর ভারতে পঞ্চায়েতরাজ ব্যবস্থার বৃদ্ধি ও বিকাশ সম্পর্কে আলোচনা কর।

প্রায় প্রতি দেশে প্রতি বছর প্রতি মাসের নির্দিষ্ট কিছু দিনে বিভিন্ন কিছু দিবস পালিত হয়। ঐ নির্দিষ্ট দিনে অতীতের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে স্মরণ করা বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করতেই এই সমস্ত দিবস পালিত হয়। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। ভারতের পালনীয় সেই দিবসগুলির মধ্যে একটি হল জাতীয় পঞ্চায়েতি রাজ দিবস । প্রতি বছর ২৪ এপ্রিল … বিস্তারিত পড়ুন

কোচবিহারের ভারতে অন্তর্ভুক্তিকরণের সময়ের রাজনৈতিক অবস্থা বর্ণনা কর।

কোচবিহারের অন্তর্ভুক্তিকরণের সময়ের রাজনৈতিক অবস্থা: কোচবিহারের প্রারম্ভিক ইতিহাস খুঁজতে হবে অসমের ইতিহাসে। প্রথম দিকে এই অঞ্চলটি প্রাগজ্যোতিশা নামে পরিচিত ছিল, যা রামায়ণ এবং মহাভারতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেখা যায় যে প্রাগজ্যোতিশার মূল অঞ্চলের পশ্চিম অংশটি পরবর্তী সময়ে কামরূপ নামে পরিচিত হয়েছিল। কামরূপ কিছু সময়ের জন্য গুপ্ত ও পালদের শাসনের অধীনে ছিল।ঐতিহ্য অনুসারে, ১৪৯৮ খ্রিষ্টাব্দে মুসলিম … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরবঙ্গে সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহের বর্ণনা দাও।

উত্তরবঙ্গে সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ: উত্তরবঙ্গে সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ হলো ১৯২৭-২৮ সালে বাঙালি সন্ন্যাসী ও ফকির সম্প্রদায়ের মুখোমুখি সরকারের বিরুদ্ধে উত্তরবঙ্গে সৃষ্ট হয়েছিল। এই বিদ্রোহের পেছনে ছিল কৃষক ও ক্রান্তিকারী আন্দোলনের প্রবৃদ্ধি এবং ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সংগঠনের কার্যকলাপের প্রভাব। উত্তরবঙ্গে সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ কারণ: ১. আয়োজন: কৃষক ও দৈহিক শ্রমিকদের দাবি ছিল মৌসুমের বাড়ানো … বিস্তারিত পড়ুন