শিক্ষার সামাজিক সংস্থা হিসেবে গণমাধ্যম ও ধর্মের ভূমিকা আলোচনা করুন।
শিক্ষার সামাজিক সংস্থা হিসেবে গণমাধ্যম ও ধর্মের ভূমিকা আলোচনা করুন।
শিক্ষার সামাজিক সংস্থা হিসেবে গণমাধ্যম ও ধর্মের ভূমিকা আলোচনা করুন।
ভূমিকাআধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রায়ই দুটি শব্দ ব্যবহৃত হয়— শিক্ষায় প্রযুক্তি (Technology in Education) এবং শিক্ষার প্রযুক্তি (Technology of Education)। এই দুই ধারণা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হলেও এক নয়। এদের সম্পর্কটি সমালোচনামূলকভাবে আলোচনা করা প্রয়োজন। শিক্ষায় প্রযুক্তি (Technology in Education) শিক্ষায় প্রযুক্তি বলতে শিক্ষাদান–শেখার প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তিগত উপকরণের ব্যবহারকে বোঝায়। … বিস্তারিত পড়ুন
ভূমিকাশিক্ষা ও সমাজবিজ্ঞান একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। মানুষ সমাজে জন্মগ্রহণ করে এবং সমাজের মধ্যেই তার ব্যক্তিত্ব বিকাশ ঘটে। সমাজবিজ্ঞান সমাজের গঠন, কার্যাবলি ও পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে, আর শিক্ষা সেই সমাজের প্রয়োজন অনুযায়ী মানুষকে গড়ে তোলে। তাই শিক্ষা ও সমাজবিজ্ঞানের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও পারস্পরিক নির্ভরশীল। শিক্ষাওসমাজবিজ্ঞানেরপারস্পরিকসম্পর্ক ১. সমাজশিক্ষানির্ধারণকরে সমাজের মূল্যবোধ, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক অবস্থা … বিস্তারিত পড়ুন
শিক্ষাগত মনোবিজ্ঞানে কেস স্টাডি পদ্ধতি (সংক্ষিপ্ত টীকা) কেস স্টাডি পদ্ধতি হলো শিক্ষাগত মনোবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও অধ্যয়ন পদ্ধতি, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা বিশেষ সমস্যাকে গভীরভাবে ও বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। এই পদ্ধতিতে একাধিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়—যেমন পর্যবেক্ষণ, সাক্ষাৎকার, প্রশ্নমালা, মনোবৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, বিদ্যালয়ের নথিপত্র ইত্যাদি। এই পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর আচরণগত … বিস্তারিত পড়ুন
ভূমিকাবিদ্যালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ব্যবস্থা। সমাজের মূল্যবোধ, আদর্শ, সংস্কৃতি ও জ্ঞান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে স্থানান্তরের প্রধান মাধ্যম হলো বিদ্যালয়। এই প্রক্রিয়ার পেছনে যে দার্শনিক ভিত্তি কাজ করে, তা হলো দর্শন। দর্শন মানুষের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে, আর শিক্ষা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তাই উক্তিটি— “দর্শন জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে, … বিস্তারিত পড়ুন
আগমনী’ ও ‘বিজয়া’র পদগুলিতে শাক্ত কবিগণ মা ও মেয়ের হৃদয়ের বেদনাকে যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন—আলোচনা ভূমিকা বাংলা শাক্ত পদাবলির একটি বিশেষ ও আবেগঘন শাখা হলো আগমনী ও বিজয়ার পদ। এই পদগুলিতে দেবী দুর্গা আর দূরবর্তী ঐশ্বরিক শক্তির প্রতীক নন—তিনি একজন ঘরের মেয়ে, যার বাপের বাড়ি আগমন ও শ্বশুরবাড়িতে প্রত্যাবর্তন ঘিরে আবর্তিত হয় মা-মেয়ের হৃদয়স্পর্শী আবেগ। শাক্ত … বিস্তারিত পড়ুন
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শুধু একটি কাব্যগ্রন্থ নয়—এটি বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজের প্রথম লিখিত ঐতিহাসিক দলিল। তাই চর্যাপদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহুমাত্রিক। নিচে ধারাবাহিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হলো— ১. বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ (খ্রি. ১০ম–১২শ শতক) হলো প্রাচীন বাংলা ভাষার প্রথম লিখিত রূপ।এর ভাষাকে বলা হয়— এই ভাষার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি— ভাষাতাত্ত্বিক … বিস্তারিত পড়ুন
শ্রীকর নন্দীর মহাভারত অনুবাদ মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কীর্তি। সংস্কৃত মহাকাব্য মহাভারত-কে বাংলাভাষী সাধারণ পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলাই ছিল তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য। এই অনুবাদের কয়েকটি বিশিষ্টতা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো— ১. অনুবাদের সরলতা ও বোধগম্যতা শ্রীকর নন্দী সংস্কৃত শ্লোকের আক্ষরিক অনুবাদের পরিবর্তে ভাবানুবাদকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ফলে তাঁর মহাভারত কঠিন সংস্কৃতজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল নয়; … বিস্তারিত পড়ুন
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসে অলৌকিকতার ব্যবহার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে, এই অলৌকিকতা শুধুমাত্র কল্পনাসৃষ্ট নয়, বরং উপন্যাসের মূল চরিত্র কপালকুণ্ডলার চরিত্র এবং পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত। অলৌকিকতা এখানে প্রকৃতির সাথে মানব জীবনের সম্পর্ক, এবং প্রকৃতির প্রভাবকে তুলে ধরতে ব্যবহৃত হয়েছে। অলৌকিকতার ব্যবহার ও যুক্তিসঙ্গতি: প্রকৃতির সাথে অলৌকিকতা: উপন্যাসে কপালকুণ্ডলা একজন বনের মেয়ে। সে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে … বিস্তারিত পড়ুন
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যিনি বাংলা সাহিত্যকে একটি নতুন রূপ দিয়েছেন, তাঁর ‘পল্লীসমাজ’ উপন্যাসটি সেই সময় সমাজের প্রচলিত ধারণা ও সীমাবদ্ধতাগুলোর বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিবাদ। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বুঝিয়েছিলেন যে, কিভাবে এই উপন্যাসটি তৎকালীন সমাজের রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে একটি নতুন পথের সন্ধান দিয়েছে। মন্তব্যের তাৎপর্য: বিধবা রমণ:– “বিধবা রমা বাল্যবন্ধু রমেশকে ভালোবেসেছিল” এই কথাটি তৎকালীন সমাজে বিধবা … বিস্তারিত পড়ুন