সুবর্ণলতা উপন্যাসের নারীদের সম্পর্কে আলোচনা কর

সমাজ সংসারে যা কিছু পুরনো তা’তেই আমরা ইতিহাস খুঁজি….সেই খোঁজের ভিতর দিয়ে জন্ম নেয় আগ্রহ, সেই আগ্রহ যখন রসদ হয়ে ইতিহাসের কবর খুঁড়ে সাহিত্য উঠে আসে তখন তা হয়ে উঠে কালজয়ী —তবে সাহিত্যের হাতধরে ইতিহাস সৃষ্টি হয় এ ভাবনা ঠিক নয়, ঠিক এর উল্টো, তা আগেই বলেছি বিশ্বশান্তি স্থাপনে নারীর অগ্রগতি বা অগ্রগামী ভূমিকা ইতিহাসে … বিস্তারিত পড়ুন

“আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশের অন্তর্মানসের যে পরিচয় পাওয়া যায় তার স্বরূপ উদ্ঘাটিত করো। 

কবিতার মূলভাব : বাংলার বৈচিত্র্যময় প্রকৃতি হাজার হাজার মানুষের মন ভরে দেয়। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অন্য যে কোন দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থেকে আলাদা। নদীমাতৃক বাংলাদেশের দুই পাশে শস্যক্ষেত্র, বাতাসে পাকা ধানের গন্ধ, শীতের কুয়াশা, শিমুলের ডালে বসে লক্ষ্মীপেঞ্চা, উঠোনের ঘাসে ধান ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শিশুরা, কিশোররা নদীর কর্দমাক্ত পালের মধ্যে সাঁতার কাটছে … বিস্তারিত পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “সাধারণ মেয়ে’ কবিতার মূলভাবটি পরিস্ফুট করো।সাধারণ মেয়ে কবিতার বিষয়বস্তু

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “সাধারণ মেয়ে’ কবিতার মূলভাবটি পরিস্ফুট করো

উনিশ শতকে বাংলা কবিতায় আধুনিকতার সূত্রপাত ঘটেছে কবি ঈশ্বরগুপ্তের হাত ধরে – এই মত কী সমর্থনযোগ্য বলে মনে হয় তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তিগুলি সাজাও।

বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা নিয়ে আলোচনা করার সময় দুটি যুগ আছে যা সহজেই মনে আসে। ফলস্বরূপ, সামনের পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ। সাহিত্য পণ্ডিতদের মতে 19 শতকে বাংলা সাহিত্যে প্রথম আধুনিকতার আবির্ভাব ঘটে এবং এটি নবজাগরণের সাথে মিলে যায়। এটি এমন কিছু যা সবাই সচেতন। বাংলা সাহিত্যে মধুসূদন দত্ত নবজাগরণের প্রথম পুরোহিত। শিবনারায়ণ রায় মহাশয়ের মতে, তিনি শুধু … বিস্তারিত পড়ুন

‘সধবার একাদশী’ কে রচনা করেন ? এটি কোন শ্রেণীর নাটক ? এই নাটকের নায়কের নাম কী ?

এ নাটকটি তিনি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করেন। দীনবন্ধু মিত্র-এর দুটি উৎকৃষ্ট প্রহসন হলো সধবার একাদশী ও বিয়ে পাগলা বুড়ো। ইংরেজি শিক্ষিত নব্য যুবকদের মদ্যপান ও বারবণিতাকে উপহাস করে রচিত প্রহসন ‘সধবার একাদশী।

বাংলা গীতিকবিতার ধারায় কাকে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয় ? তাঁর দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম বল।

বিহারীলাল চক্রবর্তী (২১ মে, ১৮৩৫ – ২৪ মে, ১৮৯৪) বাংলা ভাষার কবি। বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ তাকে বাঙলা গীতি কাব্য-ধারার ‘ভোরের পাখি‘ বলে আখ্যায়িত করেন। তার সব কাব্যই বিশুদ্ধ গীতিকাব্য।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের তিনজন পণ্ডিতের নাম ও তাঁদের রচিত একটি করে গ্রন্থের নাম লেখ।

এঁরা ছাড়াও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য ছিলেন- গােলােকনাথ শর্মা: ‘হিতােপদেশ’ (১৮০২); তারিণীচরণ মিত্র: ‘ঈশপের গল্প’ (১৮০৩); রাজীবলােচন মুখােপাধ্যায়: ‘মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং’ (১৮০৫); চণ্ডীচরণ মুনসি: ‘তোতা ইতিহাস’ (১৮০৫); হরপ্রসাদ রায়: ‘পুরুষপরীক্ষা’ (১৮১৫); কাশীনাথ তর্কপঞ্চানন: ‘পদার্থ

উদাহরণসহ অর্দ্ধতৎসম শব্দ কাকে বলে বুঝিয়ে দাও।

অর্ধ-তৎসম শব্দ: যে-সব সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে সেগুলোকে বলা হয় অর্ধ-তৎসম শব্দ। যেমনঃ জ্যোৎস্না˂>জ্যোছনা, শ্রাদ্ধ >ছেরাদ্দ, গৃহিণী˂>গিন্নি, বৈষ্ণব˂>বোষ্টম, কুৎসিত >কুচ্ছিত।

অপিনিহিতি কাকে বলে ? উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।

শব্দ মধ্যস্থ কোনো ব্যঞ্জন ধ্বনির পর যদি ই-কার বা উ-কার থাকে তবে সেই ‘ই’ বা ‘উ’ যদি ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে উচ্চারিত হয়ে যে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটায় সেটাই হল অপিনিহিতি। “শব্দের মধ্যে ই’ বা ‘উ’ থাকলে, সেই ‘ই’ বা ‘উ’ যথা—নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।

প্রাচীন যুগের বাংলা ভাষার তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

১( রুখের তেন্তলি। (২) প্রাচীন বাংলা ভাষায় করতিকারকে শূন্য বিভক্তি হয় – এখনকার বাংলার মতােই । যেমনঃ বলদ বিআএল। (৩) প্রাচীন বাংলায় কর্মকারকে ও সম্প্রদানে ‘রে’ বিভক্তি বর্তমান