প্রধান প্রকৃতি এবং প্রাচীন গ্রীক দর্শনের বৈশিষ্ট্য প্রাক-সক্রেটিক চিন্তাবিদদের বিশ্বের উৎপত্তি থ্যালেস | The main nature and characteristics of ancient Greek philosophy are the origins of the world of pre-Socratic thinkers Thales

প্রাক-সক্রেটিক গ্রীক দর্শনের মধ্যে প্রধান চিন্তাবিদ ছিলেন থ্যালেস (Thales), যার জন্ম হয়েছিল আশ্বয়ুজ্ঞ (আধুনিক তুরস্ক) নামক স্থানে আশ্বয়ুজ্ঞ নদীর তীরে। থ্যালেস ছিলেন প্রাক-সক্রেটিক দলের প্রথম জনক এবং তার বিচারে অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল: প্রধান প্রকৃতি – আপহত্য একতা: থ্যালেস মনে করতেন যে সমস্ত দ্বারা আধিবৌতিক পদার্থ এবং সব ঘটনার মৌলিক কারণ একটি একক দ্রব্য, অথবা … বিস্তারিত পড়ুন

প্রাচীন গ্রীক দর্শনের প্রকৃতি এবং বৈশিষ্ট্য | Nature and Characteristics of Ancient Greek Philosophy

প্রাচীন গ্রীক দর্শন একটি ঐতিহাসিক কালে উত্তরপ্রদেশ এবং পূর্ব মধ্যপ্রদেশ অঞ্চলে প্রাচীন গ্রীক দেশে উৎপন্ন হয়েছিল। এই দর্শনে বৃহত্তরভাবে মানবজীবন, প্রকৃতি, দেবতা, এবং জ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়। গ্রীক দর্শনের অনেকগুলি শখের চরিত্র রয়েছে, যা মৌলয়, তাত্ত্বিক, এবং নীতি মৌলে বিভাজিত হয়েছিল। এর মধ্যে চারটি মুখ্য দর্শন ছিল – মাইলেসিয়ান দর্শন, পিথাগোরাসীয় দর্শন, হেরাকলিটিয়ান দর্শন, … বিস্তারিত পড়ুন

প্রাচীন গ্রীক দর্শনের মৌলিক বৈচিত্র্য | Fundamental Variations of Ancient Greek Philosophy

মিথোস এবং লোগোস: প্রাচীন গ্রীক দর্শনে সাধারণভাবে দুটি বিভাগে বিভক্ত হয়: মিথোস এবং লোগোস। মিথোস হলো কিংবা পৌরাণিক কথা বা কাহিনী, যা অধীনে আধিভৌতিক জগতের এবং মানুষের উৎপত্তি বিশ্লেষণ করে। লোগোস হলো প্রবৃদ্ধি এবং বিবেকের পথে আগত আদর্শ, যা রাসায়নিক বিবেক এবং তত্ত্বের মাধ্যমে জ্ঞানের প্রধান উৎস। মেটাফিজিক্স এবং তত্ত্ব: প্রাচীন গ্রীক দর্শনে মেটাফিজিক্স বা … বিস্তারিত পড়ুন

শিক্ষা দর্শনের সংজ্ঞা  ? শিক্ষা দর্শনের গুরুত্ব:

শিক্ষা দর্শন হলো এমন একটি বিষয় যা শিক্ষার সাধনার উদ্দেশ্য, সিদ্ধান্ত, মূল্যায়ন, এবং এর কার্যক্ষেত্রে মানব চিন্তার দৃষ্টিভঙ্গি অন্বেষণ করে। শিক্ষা দর্শন একটি বিজ্ঞান হিসেবে দেখা হয়, যা শিক্ষার উদ্দেশ্য, সূচনা, এবং শিক্ষার সাধনার মধ্যবর্তী সার্থক সম্পর্ককে অধ্যয়ন করে। শিক্ষা দর্শনের গুরুত্ব : শিক্ষা দর্শন মানবসমাজের মধ্যে শিক্ষার উদ্দেশ্য এবং মৌলয় নিয়ে প্রবল বিচার ও … বিস্তারিত পড়ুন

দর্শনের সংজ্ঞা  ? শিক্ষা দর্শনের প্রকৃতি ও পরিধি আলোচনা কর ?  

দর্শনের সংজ্ঞা দর্শন হলো মানব বিচার ও জ্ঞানের একটি শাখা, যা মানব সমাজের জীবনদর্শন, মর্যাদা এবং এতিকেত্তর সমস্যাগুলি নির্ধারণ করে। এটি মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাগত ও বিচারমূলক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানব আচরণের মানসমূহ পঞ্চাঙ্গিক উপায়ে নির্ধারণ করে। দর্শন মানব চিন্তা, বিচার এবং নৈতিকতার প্রশ্নগুলির উপর গভীর আলোচনা করে। এটি ব্যাক্তিগত, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক মানবমূলক বিষয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

গুপ্ত যুগকে সুবর্ণ যুগ বলা হয় কেন

গুপ্তযুগকে “সুবর্ণ যুগ” বলা হয়েছে কারণ এই যুগে ভারতে অত্যন্ত সমৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক উন্নতি, রাজনৈতিক স্থিতি, বৌদ্ধিক ক্ষমতা, এবং বাণিজ্যিক প্রস্তুতির একটি শখরূপ দেখা গয়। এই কারণে এই যুগটি সুবর্ণ হিসেবে পরিচিত হয়েছে। গুপ্তযুগে সাম্রাজ্যের সমৃদ্ধি এবং সুশাসন ছিল। সাম্রাজ্যের রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং তার পরবর্তী সংতানগুলি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এবং ক্ষমতাপূর্ণ নেতা ছিলেন। এই যুগে হিন্দু ধর্ম … বিস্তারিত পড়ুন

অপিনিহিতির সংজ্ঞা ? উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।

“অপিনিহিতি” শব্দটি ইংরেজি থেকে আসা একটি সংজ্ঞা যা বাংলায় “গোপনীয়তা” বা “গোপনতা” হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। এটি অর্থ করে যে কোন আংশিক বা সম্পূর্ণ তথ্য বা তথ্যশ্রেণী যা একটি ব্যক্তি, সংস্থা, বা অন্য কোনও বিষয়কে গোপন রাখতে বা আগে প্রকাশিত না করতে হয়। উদাহরণসহ বুঝিয়ে দেওয়া হলো: একজন ব্যক্তি তার ব্যাংকের একাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য গোপন … বিস্তারিত পড়ুন

চর্যাপদে মধ্যে সমকালীন সমাজ চরিত্রের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যে ?

– চর্যাপদে মধ্যে সমকালীন সমাজ চরিত্রের পরিচয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক বৈশিষ্ট্যের বিবরণ পাওয়া যায়। 1. ব্যক্তিগত স্বাধীনতা: সমকালীন সমাজে ব্যাক্তিগত স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। এখন মানুষ কর্ম ও ঢালাই নিয়ে নিজের নিজের নির্ধারণ করে তুলতে চান। লোকেরা যারা সমাজের নির্দিষ্ট নীতি ও নৈতিক ব্যবস্থা এলাকার সাথে সম্পর্কযুক্ত না মনে করেন, অত্যন্ত নিজস্ব ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন। … বিস্তারিত পড়ুন

বিংশ শতকের অন্যতম নাট্যকার বিজন ভট্টাচার্য-আলোচনা করো। অথবা, গণনাট্য আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ছিলেন বিজন ভট্টাচার্য-আলোচনা করো।

বাংলা নাটকের প্রথম পর্বের নাট্যবিকাশে রামনারায়ণ তর্করত্বের কৃতিত্ব আলোচনা করো।

মধুসুদন, দীনবন্ধু-পূর্ববর্তী বাংলা নাটকে একজন স্মরণীয় নাট্যকার রামনারায়ণ তর্করত্ন। তখন বাংলা নাটকের প্রস্তুতিপর্ব। সে-পর্বেই রামনারায়ণ সমাজের বাস্তব সমস্যার দিকে যেমন নজর দিয়েছিলেন তেমনি সরস মননের দ্বারা নাটকে এক আপাত হাস্যরসের সৃষ্টি করেছিলেন। এজন্যই তাঁকে বলা হয় ‘নাটুকে রামনারায়ণ’। কেননা দুঃখ অপেক্ষা হাস্যরসের প্রতি তাঁর বেশি নজর ছিল। এমনকি প্রাচীনপন্থী সমাজে জন্মেও সব সংস্কার ভেঙে দিলেন। … বিস্তারিত পড়ুন