প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরীর কৃতিত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করো।

বিংশ শতকের অন্যতম প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী। ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদনা ও এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে তিনি মননশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের জীবিতকালেই তিনি বাংলা প্রবন্ধকে ভিন্ন মেজাজ ও স্বতন্ত্রখাতে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন। শুধু যুক্তি ও পান্ডিত্যই নয়, সরস বাচনভঙ্গি এবং উপস্থাপনের গুণে বিশেষ মর্যাদার দাবি রাখে। সমালোচক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন-“সব্যসাচী প্রমথ চৌধুরী, ‘সবুজপত্র’ তাঁর গাণ্ডীব। আর সবুজ … বিস্তারিত পড়ুন

বিদ্যাসাগরের দুটি সমাজসংস্কারমূলক গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো। গ্রন্থদুটির পরিচয় দাও।

বিদ্যাসাগরের দুটি সমাজসংস্কারমূলক গ্রন্থের নাম হল-‘বিধবাবিবাহ চলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব’ (১৮৫৫) ও ‘বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক বিচার’ (১৮৭১, ১৮৭৩)। মানবদরদি বিদ্যাসাগর সমাজের প্রতিও সচেতন ছিলেন। বাংলা গদ্যের বিকাশে তাঁকে যেমন নজর দিতে হয়েছিল, তেমনি সমাজের পঙ্কিল দূষিত স্রোতগুলি অপসারণে হাত দিতে হয়েছিল। ব্রাহ্মণ্যবাদ দ্বারা প্রচলিত বিধবার পুনরায় বিবাহ নিষিদ্ধ ও ব্রাহ্মণ … বিস্তারিত পড়ুন

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের তিনজন পণ্ডিতের একটি করে গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো। তিনটি গ্রন্থ সম্পর্কেই সংক্ষেপে আলোচনা করো।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের তিনজন পণ্ডিত হলেন-উইলিয়াম কেরী, রামরাম বসু ও মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। তাঁদের লেখা তিনটি গ্রন্থ হল- উইলিয়াম কেরী-‘ইতিহাসমালা’, রামরাম বসু-‘লিপিমালা’ ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার-‘রাজাবলি’। কেরীর ‘ইতিহাসমালা’ ঠিক ইতিহাস বলতে আমরা যা বুঝি তা নয়, অনেকটা গল্পের ছলে লেখা। তবে প্রশ্নের আখ্যাপত্রে লেখা ছিল-“A collection of stories in the Bengali Language collected from various sources.”। বঙ্গদেশে … বিস্তারিত পড়ুন

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের চারজন গৌণ পণ্ডিতের নাম উল্লেখ করো। তাঁদের একটি করে গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো। যে-কোনো একজনের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের চারজন গৌণ পণ্ডিত হলেন- রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়, তারিণীচরণ মিত্র, গোলকনাথ শর্মা ও চণ্ডীচরণ মুনশি। তাঁদের একটি করে গ্রন্থ হল- রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়-‘মহারাজ কৃয়চন্দ্র চরিত্রং’ তারিণীচরণ মিত্র-‘ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি’ গোলকনাথ শর্মা-‘হিতোপদেশ’ ও চন্ডীচরণ মুনশি-‘তোতা ইতিহাস’। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের গৌণ লেখকদের মধ্যে অন্যতম রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়। তিনি উইলিয়াম কেরীর সহকারী পন্ডিত হিসেবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে যোগ … বিস্তারিত পড়ুন

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের চারজন পণ্ডিতের নাম উল্লেখ করো। চারজন পণ্ডিতের একটি করে গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো। যে-কোনো একজন পণ্ডিতের সামান্য পরিচয় দাও।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের চারজন পণ্ডিত হলেন-উইলিয়াম কেরী, রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ও গোলকনাথ শর্মা। তাঁদের একটি করে গ্রন্থ হল- উইলিয়াম কেরী- ‘ইতিহাসমালা’ রামরাম বসু-‘লিপিমালা’ মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার- ‘রাজাবলি’ ও গোলকনাথ শর্মা-‘হিতোপদেশ’। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অন্যতম বাঙালি পণ্ডিত রামরাম বসু। বাংলা গদ্যের বিকাশপর্বে তাঁর অবদান নানাভাবে স্মরণীয়। বাঙালির গদ্যচর্চার যাত্রাপথকে তাঁর মতো পণ্ডিতরাই সুগম করে দিয়েছিলেন। ১৮০০ … বিস্তারিত পড়ুন

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বিদেশি পন্ডিত হলেন উইলিয়াম কেরী। উইলিয়াম কেরীর দুটি গ্রন্থ হল-‘কথোপকথন’ ও ‘ইতিহাসমালা’।

উইলিয়াম কেরীর লেখা দুটি প্রশ্নের পরিচয় পাওয়া যায়। যথা-‘কথোপকথন‘ (১৮০১) ও ‘ইতিহাসমালা‘ (১৮১২)। ‘কথোপকথন‘ সংলাপের ঢঙে লেখা। বাঙালি জীবনের ঘরোয়া নানা তথ্য নিয়ে তিনি গ্রন্থটিকে সাজিয়েছেন। যেমন–হাটের বিষয়, স্ত্রীলোকের হাটকরণ, মাইয়া কোন্দল, চাকর ভাড়াকরণ ইত্যাদির মতো হালকা বিষয়গুলি নিয়ে তিনি সিভিলিয়ানদের জনজীবন সম্পর্কে পরিচয় করিয়ে দিতে চেয়েছেন। কেরীর ‘ইতিহাসমালা‘ ঠিক ইতিহাস বলতে আমরা যা বুঝি … বিস্তারিত পড়ুন

ফোর্টউইলিয়ামকলেজেরপণ্ডিতদেরমধ্যেবিদেশিকেছিলেন? তাঁররচিতদুটিগ্রন্থেরনামউল্লেখকরো।গ্রন্থদুটিরসংক্ষিপ্তপরিচয়দাও।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অন্যতম পণ্ডিত উইলিয়াম কেরীর কৃতিত্ব আলোচনা করো। অথতা, উইলিয়াম কেরী কে ছিলেন? তাঁর অবদান সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অন্যতম পণ্ডিত উইলিয়াম কেরী। বাংলা গদ্যের বিকাশে যেসব বিদেশিদের নাম স্মরণীয় তাঁদের মধ্যে উইলিয়াম কেরী অন্যতম সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তিনিই প্রথম সিভিলিয়ানদের এদেশীয় ভাষা সংস্কৃতি শেখার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন। তিনি নিজে যেমন গ্রন্থ রচনা করেছেন, তেমনি বাঙালি পন্ডিতদের দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন রচনা করিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন। উইলিয়াম কেরীর নামে দুটি … বিস্তারিত পড়ুন

সৈয়দ মুজতবা আলীর গ্রন্থগুলির নাম উল্লেখ করো।

‘দেশে–বিদেশে‘ (১৯৪৮), ‘চাচাকাহিনী‘ (১৯৫২), ‘পূর্বপাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা‘ (১৯৫৬), ‘গুরুদেব ও শান্তিনিকেতন‘ (১৯৮১), ‘পঞ্চতন্ত্র‘।

বুদ্ধদেব বসুর গ্রন্থগুলির নাম উল্লেখ করো।

‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি‘ (১৯৩৫), ‘আমি চঞ্চল হে‘ (১৯৩৭), ‘সব পেয়েছির দেশে‘ (১৯৪১), ‘উত্তর তিরিশ‘ (১৯৪৫), ‘কালের পুতুল‘ (১৯৪৬), ‘সাহিত্যচর্চা‘ (১৯৫৪), ‘রবীন্দ্রনাথ: কথাসাহিত্য‘ (১৯৫৫), ‘স্বদেশ ও সংস্কৃতি‘ (১৯৫৭), ‘কবি রবীন্দ্রনাথ‘ (১৯৬৬), ‘মহাভারতের কথা‘ (১৯৭৪), ‘আমার ছেলেবেলা‘ (১৯৭৩)।