কৈবর্ত বিদ্রোহের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত টাকা লেখো। Write a short note on the Kaivarta Revolt.

পালরাজা দ্বিতীয় মহীপালের (1070-75) রাজত্বকালে জনৈক দিব্য বা দিবোকের নেতৃত্বে বরেন্দ্র অঞ্চলে এক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল। এই বিদ্রোহই কৈবর্ত বিদ্রোহ নামে খ্যাত। এই বিদ্রোহের কারণ ও প্রকৃতি সম্পর্কে ঐতিহাসিক মহলে মতবিরোধ আছে। অনেকেই এই বিদ্রোহকে দ্বিতীয় মহীপালের উৎপীড়নমূলক নীতির বিরুদ্ধে কৈবর্ত জাতির স্বতঃস্ফূর্ত সশস্ত্র অভ্যুত্থান বলে বর্ণনা করেছেন। সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত ‘রামচরিত’ শীর্ষক গ্রন্থে এই … বিস্তারিত পড়ুন

ময়নামতি বা পট্রিকেরা বিহার।  Write a short note on Mainamati or Pattikera Vihara.

বাংলাদেশের কুমিল্লার কাছে ময়নামতী লালমাই অঞ্চলে শালবন ঢিবির ওপর চিহ্নিত বাংলায় বৌদ্ধধর্মের অন্যতম বৃহত্তম কেন্দ্রটি অবস্থিত। এই বিহারটির অবশেষ থেকে পাওয়া গেছে বিভিন্ন রাজবংশের পৃষ্ঠপোষকতার নিদর্শন। শালবন বিহার থেকে প্রাপ্ত একটি পোড়ামাটির সিলমোহর, যেখানে কিংবদন্তি ‘শ্রী-ভবদেব মহাবিহার-আর্য- ভিক্ষু-সংঘস্যা’ নির্দেশ করে যে, খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দীর দেববংশের শ্রী ভবদেব এই বিহারটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। মুদ্রা, সিলমোহর ছাড়াও বৃদ্ধ, … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরবঙ্গে অবলোকিতেশ্বরের মূর্তি সম্পর্কে লেখো। Write about the 9 images of Avalokitesvara in Northern Bengal.

অবলোকিতেশ্বর মূর্তিগুলি প্রধানত বৌদ্ধ ও ব্রাহ্মণ্যধর্মের চলমান রেষারেষি ও একে অপরের বৈশিষ্ট্য গ্রহণ করে জনপ্রিয়তাকে তুলে ধরার প্রচেষ্টা মাত্র। অবলোকিতেশ্বর শব্দটি ‘অবলোকিত’ অর্থাৎ দেখা বা পর্যবেক্ষণ এবং ‘ঈশ্বর’ অর্থাৎ শিব, যা ব্রাহ্মণ্যধর্মের ত্রিত্ব-র মধ্যে একজন। অর্থাৎ, অবলোকিতেশ্বর শব্দটির অর্থ হল দেবতা যিনি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সর্বস্থানে বিরাজমান। উত্তর বাংলায় মূলত দু-ধরনের অবলোকিতেশ্বর মূর্তি পাওয়া যায়। … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরবঙ্গে পাওয়া শক্তি মূর্তিগুলির ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো। (Write a short note on Sakti images found in Northem Bengal

প্রাচীন বাংলায় শাক্তধর্মের প্রসার ও পূজা প্রচলন কোন্ পর্বে শুরু হয়েছিল তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। গুপ্ত ও গুপ্তোত্তর যুগের লেখনীতে দেবীর উল্লেখ বিরল। কিন্তু খ্রিস্টীয় সপ্তম-ত্রয়োদশ শতাব্দীর লেখগুলিতে দেবতাদের শক্তি হিসেবে দেবীর আত্মপ্রকাশ ঘটে। এই কালের খালিমপুর তাম্রশাসনের বানগড় প্রশস্তি ইত্যাদিতে যথাক্রমে কাদম্বরী, চন্দ্রপত্নী, অগ্নিজায়া, লক্ষ্মী, চর্চিকা প্রমুখ দেবীর উল্লেখ পাওয়া যায়। বঙ্গদেশের … বিস্তারিত পড়ুন

পাল যুগে শৈবধর্মের পাশুপত সম্প্রদায়ের ওপর একটি টাকা লেখো। Write a note on Pasupata sect of Salvism during the Pala period.

বাংলায় শৈবধর্মের বিস্তারে পাশুপত সম্প্রদায়ের ভূমিকা অগ্রণণ্য। পাশুপত সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব শুরু হয়েছিল পাল যুগে। এই সম্প্রদায় প্রবর্তক ছিলেন লকুলীশ। তাঁর চারজন শিষ্য ছিলেন কৌশিক, গর্গ, মিত্র ও কৌরুষ্য, যাঁরা পাশুপত সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভিন্ন শাখার প্রবর্তন করেন। খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে প্রথম শুরপাল শৈবাচার্য পরিষদকে দুটি গ্রাম দান করেছিলেন। নবম শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে নারায়ণপাল তাঁর ভাগলপুর শাসনে উল্লেখ … বিস্তারিত পড়ুন

বজ্রযানী বৌদ্ধধর্মে নারী বুদ্ধ তারা সম্পর্কে লেখো। Write a short note on Tara the Female Buddha in Vajrayani Buddhism.

পালযুগে নির্মিত বেশিরভাগ বৌদ্ধমূর্তি হল বজ্রযানী। ফরিদপুর জেলার উজানী গ্রামে একাদশ শতকের একটি বুদ্ধপ্রতিমা আবিষ্কৃত হয়েছে। এই মূর্তিতে বুদ্ধদেব ভূমিস্পর্শ মুদ্রায় উপবিষ্ট। মূর্তির পাদপীঠ বজ্র ও সপ্তরত্ব উৎকীর্ণ যা বজ্রযানের প্রভাব সুস্পষ্ট করে। এ ছাড়াও বজ্রযানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল দেবীমূর্তি। তাঁদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলেন তারা। বোধিসত্ত্বদের শক্তি ছিলেন তারা। তাঁর রূপ ও প্রকৃতি ছিল বিভিন্ন। … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরবঙ্গে জৈনধর্ম সম্পর্কে লেখো।

অবিভক্ত বাংলার দিনাজপুর, বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পুরুলিয়া অঞ্চলে পালপর্বীয় কয়েকটি তীর্থঙ্কর মূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে। যা বাংলায় বৌদ্ধধর্মের মতো জৈনধর্মের উপস্থিতির সাক্ষ্য বহন করে। খ্রিস্টপূর্বে তৃতীয় শতকের মৌর্যযুগে দিনাজপুর যা পুণ্ড্রবর্ধনভূক্তির অন্তর্গত ছিল এখানে জৈনধর্মের সমৃদ্ধির কথা জানা যায়। জৈন সাহিত্য ‘প্রজ্ঞাপারমিতা’ থেকে কোটিবর্ষ নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই অঞ্চলটিকে জৈনধর্মের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে সূচিত … বিস্তারিত পড়ুন

কৈবর্ত কারা? Who are the Kaivartas.

প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে কৈবর্তরা ছিল প্রধানত কৃষি ও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ভুক্ত। এদের বাসভূমি ছিল প্রাচীন বাংলার উত্তরাংশ অর্থাৎ, বরেন্দ্রভূমি। যা পালরাজাদের অধীনে একটি অঞ্চল ছিল। ইতিহাসের অধ্যায়ে কৈবর্তদের উল্লেখ পাওয়া যায় রামায়ণের অযোধ্যা কান্ডে। যেখানে তাদের নদীতে নৌকা চালানোর স্বরূপ উল্লেখ করা হয়েছে। কৈবর্তদের আসল পরিচিতিলাভ হয় দশম শতাব্দীর শুরুতে পালরাজ দ্বিতীয় মহীপালের বিরুদ্ধে কৈবর্ত জাতির … বিস্তারিত পড়ুন

পালযুগে নারীদের অবস্থা সম্পর্কে লেখো। Write about the conditions of women during the Pala Period.

পালযুগে শুধুমাত্র আভিজাত পরিবারের মেয়েদের মধ্যে লেখাপড়ার প্রচলন ছিল বলে মনে হয়। ‘পবনদূত’ কাব্যে নারীদের প্রেমপত্র রচনার ইঙ্গিত আছে। তাঁরা নৃত্য, গীতসহ নানা কলাবিদ্যায় নিপুণ ছিলেন। চর্যাগীতিতে রমণীদের নৃত্য-গীতে নৈপুণ্যের উল্লেখ আছে। তাঁরা বিনা সহযোগে গ্রাম-গ্রামান্তরে গান গেয়ে বেড়াতেন। কখনো- কখনো পত্নী স্বামীর চিন্তায় সহরমণে যেতেন। বিধবা জীবন নারীজীবনের চরম অভিশাপ ছিল। স্বামীর মৃত্যুর সঙ্গে … বিস্তারিত পড়ুন

পালদের সময় বর্ণব্যবস্থা কেমন ছিল?

পাল রাজারা বৌদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করলেও তারা বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার সমর্থক ছিলেন। মুঙ্গের লেখতে বলা হয়েছে ধর্মপাল বিচলিত বর্ণসমূহকে স্ব-স্ব স্থানে প্রতিস্থাপিত করেছিলেন। তৃতীয় বিগ্রহপাল আমগাছি লেখতে চাতুর্বণ্য-সমস্যায় অর্থাৎ, চতুর্বণের আশ্রয়স্থল রূপে বর্ণিত হয়েছেন। ব্রাহ্মণাদি বর্ণগুলিকে সুবিন্যস্ত করার জন্য পাল রাজারা যে উদ্যম গ্রহণ করেছিলেন তা নিছক ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের সন্তোষ বিধানের জন্য নয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল … বিস্তারিত পড়ুন