উত্তরবঙ্গে পাল সাম্রাজ্যের অধীনে রাজ্য গঠনের পটভূমি ব্যাখ্যা করো। (Explain the formation of state under the Palas in North Bengal.)
উত্তরবঙ্গে পাল সাম্রাজ্যের অধীনে রাজ্য গঠনের পটভূমি ব্যাখ্যা করো
উত্তরবঙ্গে পাল সাম্রাজ্যের অধীনে রাজ্য গঠনের পটভূমি ব্যাখ্যা করো
গৌড় অধিবাসীর স্বভাবচরিত্র সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো। (Write a short note on the nature of the people of Gour.)
গৌড়ের পরিবহণ ব্যবস্থা আলোচনা করো। (Discuss the transportation system of Gour.)
শশাঙ্কের রাজনৈতিক অভ্যুত্থানের কারণ ও পটভূমি আলোচনা করো
বাৎস্যায়নের ‘কামসূত্র’ থেকে বঙ্গনারী সম্পর্কে আমরা যে তথ্য পাই সেখানে বলা হয়েছে যে নম্রস্বভাবা, মধুর ভাষিণী, মাধুর্যমণ্ডিতা বঙ্গনারী ছিলেন, অসূর্যস্পর্শ্যা। রাজঅন্তঃপুরের মহিলারা বিশেষত পর্দানশীন ছিলেন। স্ত্রী-স্বাধীনতা ছিল না। বাল্যে পিতা, যৌবনে স্বামী এবং বার্ধক্যে পুত্রের ওপর নির্ভরশীলতা নারীর জীবনকে নিয়ন্ত্রণ। করত। কিন্তু তার জন্য কোনো গ্লানিবোধ ছিল বলে মনে হয় না, কারণ স্নেহ, প্রেম ও … বিস্তারিত পড়ুন
সমসাময়িক সাহিত্য ও লেখমালায় পুণ্ড্রনগর, তাম্রলিপি, পঞ্চনগরী, বর্ধমান, কর্ণসুবর্ণ, কর্মান্ত-বসাক, চম্পা, বর্ধমানপুর, রামাবতী, বিজয়পুর, লক্ষণাবর্তী প্রভৃতি নগরীর উল্লেখ পাওয়া যায়। গ্রামপ্রধান প্রাচীন গৌড় বঙ্গে স্বভাবতই নগরের সংখ্যা স্বল্প। প্রতিটি নগরের পশ্চাদ্ভূমিতে ছিল বহুসংখ্যক গ্রাম। প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল নগর, তীর্থক্ষেত্রগুলিও ছিল নগর, আবার বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেও নগরী গড়ে উঠত। যে-কোনো কারণ বা কোনো উপলক্ষ্য করে নগর … বিস্তারিত পড়ুন
বাৎস্যায়নের ‘কামসূত্র’ থেকে বঙ্গনারী সম্পর্কে আমরা যে তথ্য পাই সেখানে বলা হয়েছে যে নম্রস্বভাবা, মধুর ভাষিণী, মাধুর্যমণ্ডিতা বঙ্গনারী ছিলেন, অসূর্যস্পর্শ্যা। রাজঅন্তঃপুরের মহিলারা বিশেষত পর্দানশীন ছিলেন। স্ত্রী-স্বাধীনতা ছিল না। বাল্যে পিতা, যৌবনে স্বামী এবং বার্ধক্যে পুত্রের ওপর নির্ভরশীলতা নারীর জীবনকে নিয়ন্ত্রণ। করত। কিন্তু তার জন্য কোনো গ্লানিবোধ ছিল বলে মনে হয় না, কারণ স্নেহ, প্রেম ও … বিস্তারিত পড়ুন
পাণিনির ‘অষ্টাধ্যায়ী’তে গৌড়ের উল্লেখ আছে একটি প্রাচীনতম নগরী হিসেবে, যা ‘গৌড়পুর’ নামে পরিচিত। কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে গৌড়ের উৎপন্ন দ্রব্যের কথা উল্লেখ আছে। যেমন-‘গুড়’। ধারণা করা হয় গুড় উৎপাদনের কেন্দ্র বলে গৌড় নগর ও দেশের নামের উদ্ভব হয়। আর হয়তো এই গৌড়নগরকে ঘিরেই পরে গৌড় জনপদ গড়ে উঠেছিল। গৌড় নামটি সুপ্রাচীন হলেও এর অবস্থিতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা … বিস্তারিত পড়ুন
গৌড়বঙ্গের সামাজিক জীবনে ধর্মীয় ক্রিয়াকর্ম ও আচার-অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ বীনা অধিকার করেছিল। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে ব্রত, নিয়ম, আচার-অনুষ্ঠানের রিশিষ গুরুত্ব ছিল। ব্যক্তির জীবনে প্রচলিত দশসংস্কার পরিবারের মতো সীমাবদ্ধতা শহরেও সেগুলি পারিপার্শ্বিক সমাজকেও স্পর্শ করত। ব্রাহ্মণদের বসতি বিস্তারের কেউ থেকে ধীরে ধীরে এইসব সংস্কারের অনুষ্ঠান প্রবর্তিত হতে থাকে। একাদশ-দ্বাদশ ডোঙ্গীর মধ্যে বাংলায় বৈদিক শিক্ষা ও সংস্কৃতির … বিস্তারিত পড়ুন