ভারতীয় শিল্প কলায় রাজস্থানী চিত্রকলা সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দাও 

ভূমিকা: মূলত রাজস্থান, বুন্দেলখণ্ড অঞ্চল এবং হিমালয় সংলগ্ন পার্বত্য অঞ্চলে রাজপুত চিত্রকলার ব্যপ্তি সীমাবদ্ধ ছিল। ভৌগোলিক এবং আঙ্গিক ও কৌশলগত (শৈলী) রীতির উপর ভিত্তি করে রাজপুত চিত্রকলার মধ্যে আবার দুটি উপবিভাগ লক্ষ্য করা যায়—১। রাজস্থানী চিত্রকলা- 1-এর ব্যপ্তি ছিল ষোড়শ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ। ২। পাহাড়ী চিত্রকলা—সপ্তদশ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যবর্তীকালে বাশোলি, কাংড়া, চাম্বা, মাণ্ডি, … বিস্তারিত পড়ুন

টীকা লেখো গীতাঞ্জলি

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এক বিশ্ববিজয়ী কাব‍্যগ্ৰন্থ। রবীন্দ্রনাথের তৃতীয় পর্বের আধ‍্যাত্মিক ভাবমূলক কাব‍্য ‘গীতাঞ্জলি’। এইকাব‍্যে ঈশ্বরকে অনুভব করেছেন কবি কখনও পরিবর্তমান প্রাকৃতিক রূপের মধ্যে; কখনও ঈশ্বরের পায়ে আত্মনিবেদনে—– “আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধূলার তলে সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে।” রবীন্দ্রনাথ। ১৯১৩ সালে ইংরাজীতে অনূদিত গীতাঞ্জলি (song offerings) কাব‍্যের জন‍্য নোবেল … বিস্তারিত পড়ুন

টীকা লেখো মহাভারত

মূল ‘মহাভারত’ সংস্কৃত ভাষায় লিখেছিলেন ব‍্যাসবেদ। সেই মূল মহাভারতের অনুবাদ হয়েছে ভারতের ও পৃথিবীর নানান ভাষায়। বাংলা ভাষায় অনুবাদক হিসাবে সবচেয়ে বেশি খ‍্যাতিলাভ করেছেন কবি কাশীরাম দাস। কবি কাশীরামের মহাভারতের নাম ‘ভারত- পাঁচালি’। এটি অষ্টাদশপর্বে বিভক্ত। কৃত্তিবাসী রামায়ণের মতো ‘কাশীদাসী মহাভারত’ বাঙালী জীবনের মহাকাব‍্য। মাইকেল মধুসূদন যথার্থই বলেছেন,  “হে কাশী, কবীশদলে তুমি পুণ‍্যবান।”

টীকা লেখো রামায়ণ

মূল ‘রামায়ণ’ সংস্কৃত ভাষার লিখেছিলেন মহাকবি বাল্মীকি। সেই মূল রামায়ণ মহাকাব‍্যের বাংলায় অনুবাদক হিসাবে শ্রেষ্ঠ হলেন কবি কৃত্তিবাস ওঝা। কবি কৃত্তিবাসের রামায়ণের নাম ‘শ্রীরাম পাঁচালি’।এটি সাতটি খণ্ডে বিভক্ত। কৃত্তিবাসের রাম ভক্তবৎসল। সর্বশ্রেণির মানুষের কাছে কৃত্তিবাসের রামায়ণ পেয়েছে কালজয়ী জনপ্রিয়তা। কবি মধুসূদন যথার্থই বলেছেন “কৃত্তিবাস কীর্তিবাস কবি এ বঙ্গের অলঙ্কার।”

সংবাদ প্রভাকর বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র

সংবাদ প্রভাকর বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র.

কমলাকান্ত ভট্টাচার্য

কমলাকান্ত ভট্টাচার্য (আনুমানিক ১৭৭২-১৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) প্রখ্যাত কালীসাধক ও শ্যামাসঙ্গীত রচয়িতা। আনুমানিক ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে বর্ধমান জেলার অন্তর্গত অম্বিকা-কালনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মহেশ্বর ভট্টাচার্য এবং মাতার নাম মহামায়াদেবী। কিশোর বয়সে তাঁর পিতার মৃত্যু হলে মা মহামায়াদেবী দুই শিশু পুত্র কমলাকান্ত ও শ্যামাকান্তকে নিয়ে পিত্রালয়ে আসেন। এখানে কমলাকান্ত স্থানীয় টোলে কিছুদিন পাঠ গ্রহণ করেন। এই সময় … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা তথা ভারতীয় নাট্যজগতের শঙ্কু মিত্রের অবদান

বাংলা তথা ভারতীয় নাট্যজগতের শঙ্কু মিত্রের অবদান

বাংলা কাব্যে মানকুমারী বসুর অবদান

মানকুমারী বসু (১৮৬৩ খ্রীঃ-১৯৪৩ খ্রীঃ)■ উনিশ শতকের বাংলাদেশে স্ত্রী-শিক্ষা বিস্তার, স্ত্রীলোক-পাঠ্য পত্রিকা প্রকাশ (যেমন ‘মাসিক পত্রিকা’, ‘বামাতোষিণী’ ইত্যাদি) এবং নারী কল্যাণমূলক বিভিন্ন গল্প-উপন্যাস প্রকাশের পরমা ফলশ্রুতি হল মহিলা-কবিদের আবির্ভাব। এইসব কবিদের মধ্যে মধুসূদনের ভ্রাতুস্পুত্রী মানকুমারী বসু সহজাত কবি-প্রতিভা নিয়ে বাংলা কাব্যের জগতে আবির্ভূতা হয়েছিলেন। কাব্যের শ্রেণী ও বিষয়: সমালোচক শ্রীযোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত মানকুমারীর গীতি- কবিতাসমূহকে কয়েকটি … বিস্তারিত পড়ুন

সদুক্তিকর্ণামৃত টীকা লেখ

সদুক্তিকর্ণামৃত

‘ভোরের পাখী’ কে কাকে বলেছিলেন? বাংলা গীতিকাব্যের ধারায় উক্ত কবির গুরুত্ব বিচার করুন | বাংলা কাব্য সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীর অবদান | বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্যচর্চার পরিচয় দাও | গীতিকবি হিসেবে বিহারীলাল চক্রবর্তী

‘ভোরের পাখী’ কে কাকে বলেছিলেন? বাংলা গীতিকাব্যের ধারায় উক্ত কবির গুরুত্ব বিচার করুন | বাংলা কাব্য সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীর অবদান | বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্যচর্চার পরিচয় দাও | গীতিকবি হিসেবে বিহারীলাল চক্রবর্তী