প্রাবন্ধিক বঙ্কিমচন্দ্রের গুরুত্ব বিচার করুন | বাংলা সাহিত্যে প্রাবন্ধিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর অবদান | বাংলা সাহিত্যে প্রাবন্ধিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা

বাংলা সাহিত্যে প্রাবন্ধিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব : সমালোচক হরেন্দ্রনাথ দত্ত মহাশয় তাঁর দার্শনিক বঙ্কিমচন্দ্র’ গ্রন্থে বলেছেন “বঙ্কিমচন্দ্রের প্রতিভা ছিল বহুমুখী—সেই জন্য তিনি একাধারে কবি, শিল্পী, সমালোচক, সাহিত্যিক ঔপন্যাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক, দার্শনিক, সামাজিক ও সমাজবেত্তা ছিলেন।” বঙ্কিমচন্দ্র বহুমুখী ও বিচিত্র প্রতিভার অধিকারী ছিলেন সে বিষয়ে কোন সংশয় নেই। শিল্পী বঙ্কিম ও তাত্ত্বিক বঙ্কিম কারো সঙ্গে কারো বিরোধ নেই। … বিস্তারিত পড়ুন

ছোটগল্পকার রবীন্দ্রনাথের সার্থকতা নির্ণয় করুন | বাংলা ছোটগল্পে রবীন্দ্রনাথের কৃতিত্ব সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো এবং তার ছোটগল্পের বৈশিষ্ট্যসমূহ সংক্ষেপে উল্লেখ করো।

রবীন্দ্রনাথের হাতেই বাংলা ছোটগল্পের সার্থক রূপটি পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে ‘সাধনা’ পত্রিকায় তিনি ছোটগল্প লিখতে শুরু করেন। তার আগেও অবশ্য তিনি গল্প লিখেছেন। তবে বাংলা ছোটগল্প যে পাশ্চাত্য গল্পের কাছে ঋণী, এমন কি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এডগার অ্যালান পো-র বিদেশি সাহিত্যিকের সৃষ্টির কথা সাহায্য গ্রহণ করেছিলেন, এ তথ্য প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু বাংলা ছোটগল্পের সেই প্রাথমিক … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা গদ্যে সাহিত্যের বিকাশে অক্ষয় কুমার দত্তের সার্থকতা বিচার করুন।

বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে অক্ষয় কুমার দত্তের অবদান অক্ষয় কুমার দত্ত বিদ্যাসাগরের মতোই বাংলা গদ্যে ও বাঙালির চিন্তার ক্ষেত্রে তার পরিছন্নতা ও শক্তির সঞ্চার করে দিয়েছেন। সাহিত্য জগতে তার আবির্ভাব কবি হিসেবে কিন্তু গদ্য রচনার সূত্রপাত হয় সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার মধ্য দিয়ে। বুদ্ধিদীপ্ততার পৌরুষ তার গদ্যে জ্বলজ্বল করছে। তার রচনার মধ্যে এক যুক্তিবাদী বিজ্ঞাননিষ্ঠ মনই … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদানের বিচার করুন।

বাংলা সাহিত্যে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮-১৯৫৬) এক অনন্য জীবনশিল্পী। তিনি বিস্ময়কর প্রতিভা নিয়ে বাংলা সাহিত্যে আবির্ভূত হন ও বিচিত্র সৃজন কর্মের দ্বারা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কল্লোলীয় ভাবনায় অনুপ্রাণিত হয়ে সাহিত্যরচনা শুরু করেন—মানবমনের গহন গভীর জটিল মুহূর্তকে তুলে ধরেন মনোবিকলন তত্ত্ব দ্বারা মগ্নচৈতন্যের অতলশায়ী বোধকে প্রকাশ করেছেন : চেতনার পরতে পরতে যে … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা কাব্যে মধুসূদন দত্তের অবদানের পরিচয় দিন।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি, নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা। মধুসূদন দত্তকে বাংলার নবজাগরণের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তিনি পরিচিত। তাই তাঁকে বঙ্গ-ভারতীর দামাল পুত্র মাইকেল মধুসূদন দত্ত বলা হয়। যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে, ২৫ শে জানুয়ারি ১৮২৪ সালে মধুসূদনের জন্ম হয় … বিস্তারিত পড়ুন

চণ্ডীদাস সমস্যা আলোচনান্তে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের ভাষা, অলংকার, ভাব ও রীতির বৈশিষ্ট্যগুলির যথাযথ পরিচয় দিন।

ভাষা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের অনেক শব্দই আজকের পাঠকের কাছে দুর্বোধ্য ও অর্থহীন বলে মনে হলেও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে অপভ্রংশের খোলস ছেড়ে বেরোনো চর্যাপদের বাংলা ভাষার জড়তা দূর হয়ে তা সাবলীল ও তুলনায় অনেক গতিময় হয়ে উঠেছে- এ বিষয়ে কবির দক্ষতা ও অপরিসীম। • অলংকার: শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের বহিরাঙ্গিক কারুকৃতি ও লক্ষণীয়। কবি বড়ু চন্ডীদাস তাঁর এই কাব্যে উপমা,রূপক, উৎপ্রেক্ষা প্রভৃতি অলংকার … বিস্তারিত পড়ুন

কাশীরাম দাসের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়ে, তাঁর অনূদিত মহাভারতের গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য বিচার করুন।

কাশীরাম দাসের মহাভারতের গুরুত্ব

বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তুর্কী আক্রমণের প্রভাব/গুরুত্ব বিচার করুন।

বাংলা সমাজ ও সাহিত্যে তুর্কি আক্রমণের প্রভাব/গুরুত্ব  বখতিয়ার খিলজির নেতৃত্বে আনুমানিক ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে তুর্কিরা বাংলাদেশ অভিযান করে এবং সফলও হয়। বাংলাদেশের সমাজজীবনে এই তুর্কি-বিজয়ের নানা প্রভাব লক্ষ করা যায় । এই সন্ধিক্ষনের বড় সাহিত্যকীর্তি ছিল কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দম যার পর বড়ুচন্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের আগে বাংলায় কোন বিশেষ সাহিত্যককর্ম হয়নি প্রায় দুই শতাব্দি ব্যাপী অন্ধকার যুগের প্রভাবে … বিস্তারিত পড়ুন

ধর্মমঙ্গল কাব্যকে ‘রাঢ় অঞ্চলের জাতীয় মহাকাব্য’ বলা হয় কেন? একজন শ্রেষ্ঠ ধর্মমঙ্গল রচয়িত কাব্য প্রতিভার পরিচয় দিন।

ধর্মমঙ্গল  কাব্যের অন্যান্য কবিরা হলেন ময়ূরভট্ট (ধর্মমঙ্গলের আদিকবি), শ্যাম পণ্ডিত, ধর্মদাস, রামদাস আদক, সীতারাম দাস, যাদুনাথ বা যাদবনাথ পণ্ডিত, খেলারাম চক্রবর্তী ও মানিকরাম গাঙ্গুলি। রাঢ় অঞ্চলের সমাজ ও রাজনীতি এই কাব্যের মূল উপজীব্য হওয়ায় কোনো কোনো সমালোচক এই কাব্যকে “রাঢ়ের জাতীয় মহাকাব্য” বলে উল্লেখ করেন। ধর্মমঙ্গল‘রাঢ় অঞ্চলের জাতীয় মহাকাব্য’ বলা বিষয়বস্তুর প্রাচীনত্বে ও বিভিন্ন ধর্মমতের … বিস্তারিত পড়ুন

উপভাষা কাকে বলে? বাংলা ভাষায় কয়টি উপভাষা ও কী কী? উপভাষার বৈশিষ্ট্যগুলি উদাহরণসহ আলোচনা করো।

উপভাষা- কোনো ভাষা সম্প্রদায়ের অন্তর্গত ছোট ছোট দলে বা অঞ্চল বিশেষে প্রচলিত ভাষা ছাদকে উপভাষা বলে। উপভাষার প্রকারভেদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ড. সুকুমার সেন, অতীন্দ্র মজুমদার ইত্যাদি অধিকাংশ পন্ডিতগণেরই একই মত পোষণ করেছেন। বাংলা ভাষার প্রধান উপভাষা মোট পাঁচটি।এগুলো হল: ১।রাঢ়ী,২।ঝাড়খণ্ডী,৩।বরেন্দ্রী,৪।বাঙালি ও ৫। কামরূপী। রাঢ়ী উপভাষার মধ্য পশ্চিম বঙ্গ। অর্থাৎ তার ভিতরে রয়েছে পশ্চিম রাঢ়ী- … বিস্তারিত পড়ুন