হেলেন লেপচা সম্পর্কে একটি টীকা লেখো। (Write a short note on Helen Lepcha.)
হেলেন লেপচা সম্পর্কে একটি টীকা লেখো
হেলেন লেপচা সম্পর্কে একটি টীকা লেখো
অধুনা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি তপশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লেপচা উপজাতি সম্প্রদায়। যারা মূলত দার্জিলিং, সিকিম হিমালয় এবং নেপালের আদিবাসী হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এদের জনসংখ্যা প্রায় 80,000 এ ছাড়াও পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভুটান, তিব্বত, পূর্ব নেপালের কোশি প্রদেশেও এদের বিস্তার লক্ষণীয়। অঞ্চলভেদে লেপচা জনগোষ্ঠী চারটি প্রধান স্বতন্ত্র সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে গঠিত। এই চারটি সম্প্রদায় … বিস্তারিত পড়ুন
উত্তরবঙ্গে মানববসতির ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন। ভারতে মানবপ্রজাতি প্রবাহের সবকটি ধারা এই ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গেছে। আর্যদের অনেক আগে দ্রাবিড়রা এখানে রাজত্ব করেছেন, তারও আগে অস্ট্রিকেরা কৃষির বিকাশ ঘটিয়েছেন, এমনকি মধ্যপ্রস্তর যুগে ভারতের প্রথম মানবগোষ্ঠী নেগ্রিটোরাও একদিন এখানে পদচারণা করেছেন এবং এই পথ দিয়েই চলে গেছেন সুদূর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তৃত ভূখণ্ডের দিকে। কিন্তু নেগ্রিটোগণ … বিস্তারিত পড়ুন
গুপ্তবংশীয় সম্রাট প্রথম কুমারগুপ্তের শাসনকাল থেকে বুধগুপ্তের রাজত্বকাল পর্যন্ত (414-95 খ্রিস্টাব্দ) পুণ্ড্রবর্ধনভূক্তি অর্থাৎ, উত্তর বাংলা প্রদেশ দত্তবংশীয় শাসনকর্তাদের অধীনে ছিল। বুধগুপ্তের পর ষষ্ঠ শতাব্দীতে পুণ্ড্রবর্ধনের শাসন দত্তবংশীয়দের হস্তচ্যুত হয়ে যায়। 443 খ্রিস্টাব্দে প্রথম কুমারগুপ্ত প্রদত্ত দামোদরপুর তাম্রশাসনে দেখা যায় যে, কুমারগুপ্ত ছিলেন পৃথিবীপতি এবং পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির উপরিক অর্থাৎ প্রদেশশাসক ছিলেন চিরাতদত্ত। এই অর্থে ‘চিরত’ শব্দটি … বিস্তারিত পড়ুন
উত্তরবলা তথা পুণ্ড্র অঞ্চলে সূর্যদেবতার উপাসনার প্রাচীনতম উল্লেখ পাওয়া যায় আশ্রেয় উপনিষদে, যা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের রচিত একটি গ্রন্থ। এই উপনিষদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনার্য জাতি, যেমন-পুণ্ড্র, সুক্ষ্মরা সূর্যদেবতার । উপাসনা করতেন। গুপ্তপূর্ব কালের সৌর দেবদেবীর পূজার প্রচলন ছিল। এ ছাড়াও গুপ্তযুগ থেকে পালপর্বের অনেক সূর্যমূতি আবিষ্কৃত হয়েছে কুমারপুর, নিয়ামতপুর (রাজশাহি), বগুড়া জেলার দেওড়া, … বিস্তারিত পড়ুন
প্রাচীন উত্তরবঙ্গের পোশাক ও অলংকার সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টাকা 14 লেখো।
প্রাচীন ভারতের মতো প্রাচীন উত্তর বাংলা ও রাজা-মহারাজ-সামন্ত-মহাসাম স্ত প্রভৃতিদের প্রধান বিহারই ছিল শিকার করা বা মৃগয়া। আর অন্ত্যজ ও ম্লেচ্ছ শবর, পুলিন্দ, চণ্ডাল, ব্যাধ প্রভৃতি অরণ্যচারীদের শিকারই ছিল প্রধান উপজীব্য ও বিহার দুটোই। নানান গৃহা এবং ফলকগুলি থেকে জানা যায় কুস্তি বা মল্লযুদ্ধ এবং নানান ধরনের দুঃশাধ্য শারীরক্রিয়া ছিল নিম্নকোটির লোকদের অন্যতম বিহার। পবনদূতে … বিস্তারিত পড়ুন
ডালিম ফোর্টের ইতিহাস সম্পর্কে যা জানো লেখো
গোসানিমারী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টাকা লেখো
বর্তমানে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত দামোদরপুরে গুপ্তসম্রাট বুধগুপ্তের একটি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে। শাসনটির উৎকীর্ণ সময়কাল 482 খ্রিস্টাব্দ। তাম্রশাসনটির মূল বৈশিষ্ট্য হল এই সময় পুণ্ড্রবর্ধনভূক্তিতে আঞ্চলিক শাসন ও জমির দান সম্বন্ধিত বর্ণনা। শাসনের শুরুতেই পুণ্ড্রবর্ধনভুক্তির উপরিক ছিলেন মহারাজ ব্রহ্মদত্ত এবং পৃথিবীপতি বুধগুপ্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শাসনটিতে পলাশবৃন্দক থেকে মহওরাধি অষ্টকুলাধিকরণ অর্থাৎ, পঞ্চায়েত সভা উক্ত গ্রামটির … বিস্তারিত পড়ুন