নোভালিসের সূত্র ‘dignity of the unknown’– রোমান্টিকতাবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা।-আলোচনা করো।

 সনোভালিসের সূত্র “dignity of the unknown” (অজানার মর্যাদা) রোমান্টিকতাবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা এবং ধারণার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই সূত্রের মাধ্যমে রোমান্টিক দার্শনিকরা মানবজীবনের অজ্ঞাত এবং রহস্যময় দিকগুলির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন। এটি রোমান্টিকতাবাদের মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে একটি, যা কল্পনা, রহস্য, এবং মানুষের অন্তর্নিহিত সত্যের সন্ধানকে গুরুত্ব দেয়। নোভালিসের এই ধারণাটি রোমান্টিক দার্শনিক চিন্তাভাবনার একটি … বিস্তারিত পড়ুন

রোমান্টিকতাবাদের সংজ্ঞা নির্দেশ করতে গিয়ে অনেক পণ্ডিত বলেছেন যে তা মূলত ‘মধ্যযুগের পূর্ণজাগরণ’। রোমান্টিকতাবাদের ক্রমবিবর্তন আলোচনা করে এই মতবাদের কেন্দ্রীয় লক্ষণগুলি পরিস্ফুট করো।

রোমান্টিকতাবাদ বা রোমান্টিসিজম (Romanticism) হল একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলন যা ১৮শ শতকের শেষের দিকে এবং ১৯শ শতকের শুরুতে ইউরোপে বিস্তার লাভ করে। এটি মধ্যযুগের চেতনা এবং দর্শনের পুনরুজ্জীবনের চেষ্টাকে চিহ্নিত করে, এবং নতুন একটি সাহিত্যিক ও শিল্পকলা আন্দোলনের জন্ম দেয়। রোমান্টিকতাবাদের ক্রমবিবর্তন এবং এর কেন্দ্রীয় লক্ষণগুলি নিম্নে আলোচনা করা হলো: রোমান্টিকতাবাদের ক্রমবিবর্তন ১. প্রাক-রোমান্টিক যুগ (১৭শ … বিস্তারিত পড়ুন

যে কোনো দু’জন তাত্ত্বিকের তিনটি করে গ্রন্থের নাম লেখো: এডওয়ার্ড সাঈদ, জাকদেরিদা, মিশেল ফুকো, মিখায়েল বাখতিন।

নিচে উল্লিখিত চারজন তাত্ত্বিকের মধ্যে যেকোনো দু’জনের তিনটি করে গ্রন্থের নাম উল্লেখ করা হলো: এডওয়ার্ড সাঈদ (Edward Said) জাক দেরিদা (Jacques Derrida) মিশেল ফুকো (Michel Foucault) মিখায়েল বাখতিন (Mikhail Bakhtin) এই তাত্ত্বিকদের প্রতিটি বই তাঁদের নিজ নিজ চিন্তাধারা এবং তত্ত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

সমালোচক শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিশেষত্ব আলোচনা করো।

সমালোচক শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট এবং প্রভাবশালী সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তাঁর সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সাহিত্য বিশ্লেষণের গভীরতা তাঁকে বাংলা সাহিত্যের জগতে অনন্য স্থানে অধিষ্ঠিত করেছে। তাঁর বিশেষত্বের কয়েকটি দিক নিম্নে আলোচিত হলো: ১. শৈল্পিক ও দার্শনিক সমালোচনা শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর শৈল্পিক এবং দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি সাহিত্যকে শুধুমাত্র রূপ … বিস্তারিত পড়ুন

রোমান্টিক কাব্যতত্ত্বে ‘প্রেরণা’-র ভূমিকা আলোচনা করো।

রোমান্টিক কাব্যতত্ত্বে ‘প্রেরণা’ (inspiration) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা। রোমান্টিক যুগের কবিরা বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃত কবিতা বা সাহিত্য রচনা কেবলমাত্র যুক্তি বা বুদ্ধি দ্বারা সম্ভব নয়; বরং এর জন্য প্রয়োজন এক ধরনের অন্তর্দৃষ্টি বা অন্তঃপ্রেরণা, যা সাধারণ মানুষের চিন্তার গণ্ডির বাইরে। প্রেরণার ধারণাটি রোমান্টিক কাব্যতত্ত্বের মূল কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং এই ধারণার উপর ভিত্তি করে … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা কথাসাহিত্য থেকে একটি দৃষ্টান্তযোগে নারীচেতনাবাদ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো।

নারীচেতনাবাদ বা ফেমিনিজম হলো সেই দৃষ্টিভঙ্গি যা নারীর অধিকার, মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং সমানাধিকারের পক্ষে কথা বলে। বাংলা কথাসাহিত্যে নারীচেতনাবাদী চিন্তাধারা প্রায়শই প্রতিফলিত হয়েছে, বিশেষ করে বিংশ শতাব্দীর লেখকদের রচনায়। এ ধরনের সাহিত্য নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি, নারীর জীবনের সংগ্রাম এবং তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলোকে তুলে ধরে। দৃষ্টান্ত: আশাপূর্ণা দেবীর প্রথম প্রতিশ্রুতি আশাপূর্ণা দেবীর প্রথম প্রতিশ্রুতি … বিস্তারিত পড়ুন

মোহিতলাল মজুমদার সমালোচনার ‘উচ্চতম পাদশ’ থেকে বিচ্যুত হননি। এই প্রেক্ষিতে তাঁর সমালোচনার রূপরেখাটি কর্ণনা করো।

মোহিতলাল মজুমদার (১৮৮৮-১৯৫২) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান সমালোচক, কবি এবং সাহিত্যিক। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান শুধু কাব্যিক দিক দিয়ে নয়, সমালোচনার ক্ষেত্রেও অপরিসীম। মোহিতলাল মজুমদার তাঁর সমালোচনামূলক রচনায় ‘উচ্চতম পাদশ’ বজায় রেখে সমালোচনার শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর সমালোচনার বৈশিষ্ট্য হলো শৈল্পিক গভীরতা, দার্শনিকতা এবং বৈষয়িক বিশ্লেষণ। মোহিতলাল মজুমদারের সমালোচনার রূপরেখা ১. শৈল্পিক শুদ্ধতা ও গভীরতা … বিস্তারিত পড়ুন

বঙ্কিমচন্দ্র মূলতঃ ঔপন্যাসিক হলেও তিনিই আধুনিক বাংলা সমালোচনা সাহিত্যের জনক।” মন্তব্যটি কতদূর গ্রহণযোগ্য তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।

  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) বাংলা সাহিত্যের অমর প্রতিভা। তাঁর প্রধান পরিচয় একজন ঔপন্যাসিক হিসেবে, কিন্তু সাহিত্যিক সমালোচনায় তাঁর অবদানও অনস্বীকার্য। তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর সাহিত্য সমালোচনা আধুনিক বাংলা সমালোচনা সাহিত্যের ভিত্তি স্থাপন করেছে। ফলে, “বঙ্কিমচন্দ্র মূলতঃ ঔপন্যাসিক হলেও তিনিই আধুনিক বাংলা সমালোচনা সাহিত্যের জনক” মন্তব্যটি যথার্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রবন্ধে আমরা … বিস্তারিত পড়ুন

ট্র্যাজেডির নায়ক সাধারণ মাপের মানুষ নয়। এর শৈল্পিক কারণগুলি নির্দেশ করে অ্যারিস্টটলের অভিমতের যথার্থতা দৃষ্টান্তসহ ব্যাখ্যা করো।

অ্যারিস্টটলের মতে, ট্র্যাজেডির নায়ক সাধারণ মানুষের চেয়ে আলাদা ও অসাধারণ গুণাবলীসম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ Poetics-এ ট্র্যাজেডি ও ট্র্যাজিক নায়কের বৈশিষ্ট্যগুলি বিশদভাবে আলোচনা করেছেন। অ্যারিস্টটল মনে করতেন, ট্র্যাজেডির নায়ককে অবশ্যই এমন একজন ব্যক্তি হতে হবে যিনি সাধারণ মানুষের চেয়ে উচ্চতর এবং মহৎ, কিন্তু সম্পূর্ণ নিখুঁত নন। এই বৈশিষ্ট্যগুলির মাধ্যমে তিনি ট্র্যাজেডির মূল লক্ষ্য—কথিত ক্যাথারসিস … বিস্তারিত পড়ুন

অ্যারিস্টটল ‘প্লট’ বলতে কী বুঝিয়েছেন? তিনি ‘প্লট’ ও ‘চরিত্র’-এর মধ্যে কোনাটকে বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন? পৃষ্টাতপাই আলোচনা করো।

অ্যারিস্টটল তার বিখ্যাত গ্রন্থ Poetics-এ ‘প্লট’ (Plot) বা কাহিনির কাঠামোকে নাট্যকাব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করেছেন। অ্যারিস্টটল মনে করতেন, একটি সার্থক নাট্যকাব্যের মূল আকর্ষণ তার প্লটের গঠনশৈলীতে নিহিত। প্লট হল সেই কাঠামো, যার মাধ্যমে কাহিনির ঘটনাগুলো সুনির্দিষ্ট ধারায় সংঘটিত হয় এবং একটি সমগ্র রূপে পরিণত হয়। অ্যারিস্টটলের প্লটের ধারণা অ্যারিস্টটল প্লটকে ‘মিথোস’ (Mythos) নামে … বিস্তারিত পড়ুন